মহাসপ্তমী আজ: দেবীর চরণে ভক্তের অঞ্জলি

মণ্ডপে মণ্ডপে পুরোহিতের মন্ত্র, সঙ্গে ধূপ, পঞ্চপ্রদীপ, উলুধ্বনি আর ঢাকের বাদ্যের সঙ্গে বাজছে শঙ্খনাদ। সব বয়সী বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের হৃদয়ে বাঁধভাঙা আনন্দের জোয়ার। মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে পাঁচদিনের সার্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হয় সোমবার (১১ অক্টোবর)। মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) শুরু হচ্ছে মহাসপ্তমী।

দেবীর চরণে ভক্তের অঞ্জলি।মহাসপ্তমীতে ষোড়শ উপাচারে অর্থাৎ ষোলটি উপাদানে দেবীর পূজা হবে। সকালে ত্রিনয়নী দেবী দুর্গার চক্ষুদান করা হবে। দেবীকে আসন, বস্ত্র, নৈবেদ্য, স্নানীয়, পুষ্পমাল্য, চন্দন, ধূপ ও দীপ দিয়ে পূজা করবেন ভক্তরা।

সপ্তমী পূজা উপলক্ষ্যে সন্ধ্যায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ভক্তিমূলক সংগীত, রামায়ণ পালা, আরতিসহ নানা অনুষ্ঠান হবে। বিশুদ্ধ পঞ্জিকা মতে সপ্তমীতে পূর্বাহ্ন ৯-৫৭ মধ্যে নবপত্রিকা প্রবেশ, স্থাপন ও সপ্তাদি কল্পারম্ভ এবং সপ্তমী বিহিত পূজা প্রশস্ত।

এক সময় ঢাকার দুর্গাপূজা সীমাবদ্ধ ছিলো পুরান ঢাকার কোতোয়ালি এলাকায়। বিগত কয়েক বছর ধরে পুরো ঢাকায় পূজা আয়োজন হচ্ছে মহাসমারোহে। শাঁখারীবাজার, তাঁতীবাজার, ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রামকৃষ্ণ আশ্রম, মিরপুর কেন্দ ীয় মন্দির, ধানমন্ডি সর্বজনীন পূজা কমিটি, গুলশান বনানী সর্বজনীন পূজা উদ্যাপন পরিষদ, বনানী পূজা উদ্যাপন পরিষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলসহ বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে ও ব্যক্তিগতভাবে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে উত্সবমুখর পরিবেশে। করোনার কারণে আলোকসজ্জা সীমিত করা হয়েছে।

এদিকে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ, আনসার, র‍্যাবসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছে। র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন সোমবার দুপুরে রাজধানীর বনানী পূজামণ্ডপ ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাদি পরিদর্শন করেন।

বৈশাখী নিউজ/ ইডি