নরওয়েতে তীর ও ধনুক নিয়ে হামলা , নিহত ৫, সন্দেহভাজন হামলাকারী গ্রেফতার

নরওয়েতে  তীর ও ধনুক নিয়ে এক ব্যক্তির হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শান্তিপূর্ণ দেশটিতে এ ধরনের সহিংসতার ঘটনা খুব একটা দেখা যায় না।

ইউরোপের স্ক্যানডেনেভিয়ান অঞ্চলের দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কংসবার্গ শহরে বুধবার এ হামলার ঘটনা ঘটে। খবর আলজাজিরার।

পুলিশ জানায়, সন্দেহভাজন হামলাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু হামলার পেছনে কী কারণ থাকতে পারে সে বিষয়টি এখনও পরিষ্কার নয়।

দেশটির পুলিশ কর্মকর্তা ওবিন্দ আস বলেন, হামলাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমাদের হাতে পাওয়া তথ্যানুযায়ী ওই ব্যক্তি একা এ হামলা চালিয়েছিল।

পুলিশ জানায়, সন্দেহভাজন ব্যক্তি শহরে ঘুরে ঘুরে লোকদের লক্ষ্য করে তীর ছুড়ছিল। এ হামলার পেছনে সন্ত্রাসবাদীদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা তা পুলিশ তদন্ত করে দেখবে।

 

পুলিশ কর্মকর্তা আস বলেন, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে এখনও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। তাই হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনই মন্তব্য করা ঠিক হবে না।

নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এরনা সোলবার্গ বলেন, কংসবার্গ থেকে আসা খবর ‘ভয়াবহ’।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমি বুঝতে পারছি, বহু মানুষ এ ঘটনায় ভয় পেয়েছেন। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এ ঘটনায় সারাদেশের পুলিশ কর্মকর্তাদের অস্ত্রে সজ্জিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নরওয়েরে পুলিশ সাধারণ নিরস্ত্র থাকে। যখন প্রয়োজন হয় তারা অস্ত্র হাতে তুলে নেন।

সশস্ত্র সহিংসতা নরওয়েতে বিরল ঘটনা।

তবে ২০১১ সালের ২২ জুলাই আন্দ্রেস বেহরিন ব্রেইভিকের জোড়া হামলায় ৭৭ জনের মৃত্যু হয়। এরপর ২০১৯ সালের আগস্টে স্বঘোষিত নব্য-নাজি ফিলিপ ম্যানহাউস একটি মসজিদে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। যদিও এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

 

 

বৈশাখী নিউজ/ এপি