বিএনপির ভালো না লাগার বেরামে পেয়েছে: নানক

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, মুজিববিহীন বাংলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এখনও ষড়যন্ত্র হচ্ছে। দেশ এগিয়ে যাওয়ার পথেও ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এজন্য বিএনপির দিকে ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, বিএনপির ভালো না লাগার বেরামে পেয়েছে। দেশকে পিছিয়ে নিতে চায় তারা। কাজেই আপনাদের সবসময় চোখ-কান খোলা রাখতে হবে।
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৮ মার্চ) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বঙ্গবন্ধু হত্যায় খুনি মোস্তাকের সহায়তাকারী জিয়াউর রহমান ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ আমাদের বাজাতে দেয়নি বলে দাবি করেন জাহাঙ্গীর কবির নানক।
তিনি বলেন, জেনারেল এরসাদ, খালেদা জিয়ারা বাজার থেকে ভাষণটি নিষিদ্ধ করে উঠিয়ে দিয়েছিলো, কারণ এই ভাষণকে তারা ভয় পায়। এতেই বুঝা যায় বঙ্গবন্ধু তার ভাষণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের কি কৌশল হবে তা দিয়ে গিয়েছিলেন। এ ভাষণের মাত্র ১৮ দিনের ব্যবধানে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। সে ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু পারেনি।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে বুকে ধারণের আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এ সদস্য বলেন, এ ভাষণটি কি অপূর্ব কি অকল্পনীয়। তা আমরা লক্ষ্য করলেই দেখতে পাই। ওই ভাষণে বঙ্গবন্ধু যে কৌশলের আশ্রয় নিয়েছিলেন।
তিনি সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা না দিয়ে পরোক্ষভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। বঙ্গবন্ধুকে যেন কেউ বিছিন্নতাবাদী নেতা হিসেবে অভিহিত করতে না পারে সে দিকে তার সজাগ দৃষ্টি ছিলো।
তিনি ছাত্র সমাজের উদ্দেশ্যে নানক বলেন, একটি কুচক্রীমহল দেশকে যেভাবে অস্থিতিশীল করে তোলার অপচেষ্টা অব্যহত রেখেছে তোমাদের সেদিকে তীক্ষè নজর রাখতে হবে। তাদের সকল ষড়যন্ত্রেকে রুখে দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
আলোচনা সভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম বলেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে জনগণকে আতঙ্কিত করে ফায়দা লুটার চেষ্টা করছে বিএনপি জামাত। তারা মানুষের মাঝে ভীতি সৃষ্টি করে, অপপ্রচার করে খাদ্য সংকট সৃষ্টি করার পাঁয়তারা করছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। করোনার সময় বিএনপি জামাত প্রত্যাশা করেছিল লক্ষ মানুষ মারা যাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃঢ় নেতৃত্বে তাদের সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তারা এখন মানুষের মাঝে ভীতি সৃষ্টি করে মানুষকে কিভাবে কষ্টে রাখা যায় সে পরিকল্পনা করছে করছে।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব বি এম মোজাম্মেল হক,আইন সম্পাদক অ্যাড. কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, সাংসদ নজরুল ইসলাম বাবু।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো: ইব্রাহিম ফরাজীর সভাপতিত্বে এবং ও শাখা শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আক্তার হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথি ছিলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।













