চারঘাট থানা মামলা গ্রহন করেনি, বিজ্ঞ আদালত পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ

রাজশাহী প্রতিনিধি : রাজশাহী চারঘাট উপজেলার শিবপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মনজুরের বাড়িতে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাট এর ঘটনায় চারঘাট মডেল থানা মামলা গ্রহন করেনি।
ভুক্তভোগী রাজশাহীর অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন আদালতে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে ২৫-৩০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
বিজ্ঞ আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী চারঘাট থানায় মামলা করতে গেলে থানা মামলা গ্রহণ না করে ফিরিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ব্যবসায়ী মনজুর।
পরে সে গত ১১ সেপ্টেম্বর আদালতে রাজশাহীর অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন আদালতে একটি মামলা দায়ের করে।
আদালত মামলাটি পি বি আই কে তদন্তের নির্দেশ দেন। এলাকার একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী ভাটা ব্যবসায়ী মনজুরের কাছে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে।
চাঁদা না পেয়ে তারা গত ৬ সেপ্টেম্বর রাত ১১ টার সময় দেশি অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।
ওই সময় হামলাকারীরা নগদ ৫ লাখ টাকা ও সমমূল্যের সোনার গহনা লুটপাট করে নিয়ে যায়।
শুক্রবার সন্ধায় ইট ভাটা ব্যবসায়ী মনজুর রহমান রাজশাহী প্রেসক্লাবের এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের জানায়, উপজেলা শিবপুরের ফজলুর রহমান ও তার ছোট ভাই আকবর ভাটাতে এসে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করেছিল।
চাঁদার দিতে অস্বীকার করায় সন্ত্রাসীরা মনজুরকে গালিগালাজ করে এবং দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়।
ভুক্তভোগী আরো জানান ২০২১ সালে অভিযুক্তদের সাথে ওই এলাকায় বেশ কয়েকটা ভাটার মালিক ও শ্রমিকদের মারামারির ঘটনাও ঘটেছিল।
সন্ত্রাসীদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না। সন্ত্রাসীরা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় সন্ত্রাসী কর্মকা- চালিয়ে যাচ্ছে।
ভুক্তভোগী মনজুর রহমান রাজশাহী প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
চারঘাট মডেল থানা মামলা নেয়নি এই অভিযোগটি যথাযথ নয়। মনজুর স্থানীয় পর্যায়ে তাদের স্বজনদের সাথে পুকুরের ভাগ বাটোয়রা নিয়ে দ্বন্ধ।
অভিযোগকারী বিষয়ে খোজ খবর নিয়ে দেখা গেছে এই বিষয়টি মামলার যোগ্য নহে। এটা সাধারন ডাইরির হিসাবে গ্রহন করা যেতে পাওে বলে জানান, চারঘাট মডেল থানা অফিসার ইন-চার্জ মাহবুবুল আলম।


