কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে ধান সরকারকেই কিনতে হবে: জিএম কাদের

মিল মালিক নয়, সরকারিভাবে কৃষকদের কাছ থেকে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত ধান নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যে কিনতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। তিনি বলেন, প্রয়োজনে বেসরকারি মালিকানাধীন গুদামগুলো সরকারি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে ধান সংরক্ষণের উপযুক্ত করে ধান সংরক্ষণ করতে হবে।

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বানানী অফিসে শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জি এম কাদের এসব কথা বলেন।

জাপার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় চাল রপ্তানি ভবিষ্যৎ খাদ্য সংকট ঝুঁকি বহন করে। যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া তড়িৎ সিদ্ধান্ত নেয়া ঠিক হবে না।

গণমাধ্যনে প্রকাশিত সংবাদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, প্রতি মণ ধান যখন বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে সাড়ে ৫শ’ টাকায়। ঠিক তখন স্থানীয় বাজারে মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ ১৬শ’ থেকে ২ হাজার টাকায়। মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে আমাদের কৃষি। কৃষকদের অভিযোগ, সরকার ধান ক্রয় করে মিল মালিকদের কাছ থেকে, এতে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পায় না।

এই পরিস্থিতি সরকারের বিদেশে চাল রপ্তানির আগে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে চিন্তা-ভাবনার আহ্বান জানিয়ে সাবেক এই বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কারণ, কোন বিশেষ পরিস্থিতিতে চাল/খাদ্যদ্রব্য প্রয়োজন হলে, দ্রুততার সাথে আমদানী করা সম্ভব নয়। এতে ভয়াবহ খাদ্য সংকটের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. মসিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, আলমগীর সিকদার লোটন, নাজমা আক্তার এমপি, এমরান হোসেন মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব শফিকুল ইসলাম শফিক, জহিরুল আলম জহির, হাসিবুল ইসলাম জয়, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল্লাহ শফি, মনিরুল ইসলাম মিলন, মো. হেলাল উদ্দিন, যুগ্ম দফতর সম্পাদক এম এ রাজ্জাক খান, কেন্দ্রীয় নেতা আদেলুর রহমান আদেল এমপি, সাজ্জাদ পারভেজ চৌধুরী, রেজাউল রাজী চৌধুরী স্বপন, সোলায়মান সামী, দ্বীন ইসলাম শেখ, জাকির হোসেন মৃধা, আনোয়ার হোসেন তোতা, শেখ মো. ফয়জুল্লাহ শিপন, মো. নুরুজ্জামান, ওলিউল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।