কেন্দুয়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা, প্রতিবাদে ছাত্রলীগ নেতার সংবাদ সম্মেলন

মো: হুমায়ুন কবির, কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়েরের ঘটনার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক আপেল মাহমুদ।
শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি কেন্দুয়া পৌরশহরের সাউদপাড়া মোড় এলাকায় এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আপেল মাহমুদ বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইফতিকার উদ্দিন তালুকদারের পক্ষে আমরা নির্বাচন করি।
নির্বাচন চলাকালে গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে উপজেলার মাসকা বাজারে প্রচারণা চালাতে গেলে নৌকার প্রার্থী অসীম কুমার উকিলের কর্মী মাসকার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুছ ছালাম বাঙ্গালী ও তার লোকজন আমিসহ আমাদের লোকজনের উপর অতর্কিত হামলা করে।
এতে আমি ও আমাদের ১২ জন আহত হই এবং আমাদের সাথে থাকা ৬টি মোটরসাইকেল ভাংচুর করা হয়। এ ঘটনায় মামলা চলমান রয়েছে।
এরই জের ধরে ছালাম বাঙ্গালীর বড় ভাই মুখলেছুর রহমান বাঙ্গালী আমাকে হেয় ও হয়রানি করতে আমার বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকার চাঁদা দাবির অভিযোগ এনে মামলা করেন। মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
মামলার অভিযোগ বিষয়ে আপেল মাহমুদ বলেন, গত ২৩ জানুয়ারি সন্ধ্যার আগে আমি আমার বন্ধুদের সাথে দেখা করতে কেন্দুয়া খেলার মাঠে যাচ্ছিলাম।
এ সময় মুখলেছ বাঙ্গালীর বাসার সামনের সড়কে ছাত্রলীগ কর্মী সাইদুল ইসলামকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে কারণ জানতে চাইলে সে জানায় যে, রেলওয়েতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে দীর্ঘদিন আগে মুখলেছ বাঙ্গালীর ভাই ছালাম বাঙ্গালী তার কাছে থেকে ৯ লাখ টাকা নেয়।
কিন্তু চাকরি দিতে পারেনি। বিষয়টি মুখলেছ বাঙ্গালীও জানেন। টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে সাইদুল মুখলেছ বাঙ্গালীর সাথে আলোচনা করতে এসেছে।
কিন্তু তখন তিনি বাসায় না থাকায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় আমি সাইদুলকে সাথে নিয়ে খেলার মাঠে চলে যাই। কিন্তু মুখলেছ বাঙ্গালী প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে পরিকল্পিতভাবে আমার বিরুদ্ধে ২৪ জানুয়ারি থানায় চাঁদাবাজির মামলা দিয়েছে। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।













