ভাবিকে জবাই, জেল খেটে বেরিয়ে ভাতিজিকে পিটিয়ে হত্যা করল চাচা হাবিব

আপডেট: October 15, 2025 |
srg 6
print news
বরগুনার তালতলীতে ভাবি তানিয়া বেগমকে গলা কেটে হত্যার ১০ বছর পর এবার ছয় বছর বয়সী ভাতিজি নাহিল আক্তারকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন চাচা হাবিব ওরফে হাবিল খান। ঘটনার পরপরই হাবিলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ইদুরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় পর রাতে নিহত শিশুর বাবা মো. দুলাল খান বাদী হয়ে তালতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত হাবিব ওরফে হাবিল খান ও মামলার বাদী দুলাল খান একই বাড়িতে বসবাস করেন। হাবিব সব সময় নেশাগ্রস্ত থাকায় প্রায় সময়ই পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজসহ মারধর করতেন। মঙ্গলবার দুপুরে শিশু নাহিল বাড়ির সামনে একটি মুদি দোকানে রুটি কিনতে যায়। এসময় হঠাৎ হাবিব পেছন থেকে এসে একটি লাঠি দিয়ে নাহিলের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে।

শিশুর বাবা দুলাল খান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘ও আমার জীবনটা শেষ করে দিয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. টুকু শিকদার ও সালাম হাওলাদার বলেন, ‘ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা হাবিলকে ধাওয়া করলে একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ এসে তাকে গ্রেপ্তার করেছে।’

তারা বলেন, ‘হাবিল এর আগে তার ভাইয়ের প্রথম স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা করেছেন।’

তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘শিশুটির মাথার ডান পাশে এবং বাঁ হাতের কনুইয়ে গুরুতর জখমের চিহ্ন ছিল। তাৎক্ষণিক শিশুটিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে জানা যায়, শিশুটি বরিশালে নেওয়ার পথেই মারা গেছে।’

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজালাল বলেন, ‘হাবিলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিশুটির মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে। আগামীকাল বুধবার ময়নাতন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।’

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর