জ্বালানি তেল বিক্রির ক্ষেত্রে সব বিধিনিষেধ প্রত্যাহার

আপডেট: March 15, 2026 |
inbound5241428393033871783
print news

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল সরবরাহে যে সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল সেটিসহ সবধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

রোববার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

তিনি বলেন, ‘জনগণের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করা এবং বোরো মৌসুমে কৃষকদের জ্বালানির চাহিদা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ১৫ মার্চ থেকে দেশের সব বিতরণ পয়েন্ট থেকে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল বিতরণ অব্যাহত থাকবে।”

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে প্রভাব পড়ায় জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার কয়েকটি পদক্ষেপ নেয়, যার মধ্যে ছিল জ্বালানি তেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ।’

onindo islam omit 150326 1773554139

এর মধ্যে কয়েকটি জ্বালানি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে দেশে তেলের ঘাটতি নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তখন অনেক ক্রেতা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জ্বালানি কিনতে শুরু করলে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ৬ মার্চ থেকে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রিতে সীমা বেঁধে দেওয়া হয়।

সেই নির্দেশনায় মোটরসাইকেলের জন্য দিনে দুই লিটার জ্বালানি বিক্রির সীমা ঠিক করা হয়েছিল। স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার সীমা ছিল।

পিকআপ বা লোকাল বাসের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাকের জন্য দিনে ২০০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি বিক্রির সীমা ঠিক করা হয়েছিল।

পরে রাইডশেয়ারিং বাইক চালকদের চাহিদা বিবেচনায় তাদের সীমা দুই লিটার থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লিটার করা হয়। এখন এসব সীমা তুলে নেওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি কেনার সুযোগ তৈরি হলো।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর