প্রধান জামাতে ঈদের নামাজ শেষে যুদ্ধ বন্ধে প্রার্থনা

চলমান ইরান যুদ্ধ বন্ধে মোনাজাত করা হয়েছে ঈদের নামাজে। শনিবার (২১ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান জামাতে নামাজ শেষে খুতবা পরিচালনা করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক।
মোনাজাতে তিনি বলেন, হে আল্লাহ বিশ্বের ফিতনা ফাসাদ থেকে মানুষকে হেফাজত করেন। যুদ্ধ-বিগ্রহ থেকে মানুষকে নিরাপত্তা দেন। বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন। মুসলিমদের এক হয়ে সকল পরিস্থিতি মোকাবেলা করার শক্তি দেন।
জুলুম থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার আবেদন জানিয়ে মুফতি খালেক বলেন, যুদ্ধ বিধ্বস্তদের পাশে থাকার, নুসরাত (সহযোগিতা) করার তৌফিক দেন।
তিনি বলেন, আমাদের পাপাচার, অন্যায় অপরাধ করা থেকে হেফাজত করেন। আমাদের সকল ইবাদত কবুল করেন।
মোনাজাত শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদের নামাজ আদায়ে আগতদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর তিনি ভিভিআইপি নিরাপত্তা বেষ্টনীর অপর পাশে ভিড় করা লোকজনের সঙ্গে করমর্দন করতে এগিয়ে যান। এসময় মুসল্লিরা ‘ঈদ মোবারক, ঈদ মোবারক’ বলতে শুরু করেন।
প্রধানমন্ত্রী ঘুরে ঘুরে বাঁশের নিরাপত্তা বেষ্টনীর এপাশ থেকে মুসল্লিদের সঙ্গে হাত মেলান। তারেক রহমানের সঙ্গে হাত মেলাতে নিরাপত্তা বেষ্টনীর তিন দিকে লোকজনের জমায়েত বাড়তে থাকে।
তিনি দক্ষিণ দিকে থেকে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে করতে উত্তর দিকে দিয়ে ঈদগাহ মাঠ ত্যাগ করেন। এ সময় তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের খুবই সতর্ক থাকতে দেখা যায়।
মাঠে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ডানপাশে প্রধানমন্ত্রী নামাজ আদায় করেন।
এর আগে সকাল ৮টা ২৩ মিনিটে মাঠে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আসেন।




