হত্যা মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী

অর্থ আত্মসাৎ ও মানবপাচারের মামলার পর এবার হত্যা মামলায় সাবেক সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আলোচিত সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে জিজ্ঞাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঢাকার পৃথক দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে এ এ আদেশ আসে।
প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই রফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেস।
গত ২৩ মার্চ বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার ২ নম্বর লেনের ১৫৩ নম্বর বাড়ি থেকে মাসুদ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিন্ডিকেট করে ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচারের মামলায় পরদিন তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। গত ২৯ মার্চ দ্বিতীয় দফায় ৬ দিন এবং ৪ এপ্রিল তৃতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।
তিন দফায় ১৪ দিনের রিমান্ড শেষে এদিন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান।
এরপর তাকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোসহ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই কফিল উদ্দিন। শুনানিকালে তাকে এজলাসে তোলা হয়।
প্রথমে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয়ে শুনানি হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, মামলায় সম্পৃক্ত থাকায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা। তিনি ফ্যাসিস্টের একজন সহযোগী। তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হোক।
এ সময় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর কোনো আইনজীবী আদালতে ছিলেন না। তার কিছু বলার আছে কী না জানতে চান আদালত।
সালাম দিয়ে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, পর পর ১৪ দিন রিমান্ডে ছিলাম। এটা এমনই মামলা, যে মামলায় ১০৩ জনের মধ্যে যারা জামিন চাইছে, জামিন পেয়েছে।
এ সময় বিচারক তাকে বলেন, এটা এই মামলা (সিন্ডিকেট করে ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচার মামলা) না। এটা হত্যা মামলা।
তখন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, মামলায় আমার সামান্যতম সম্পৃক্ততা নাই।
পরে আদালত তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেয়।
এরপর মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালতে নেওয়া হয়।














