৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে যাত্রীবাহী বিমান চলাচল

দেশের সব অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধের সময় বাড়িয়ে ৩০ এপ্রিল করা হয়েছে। আগে এই সময় ছিল ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে চীনের ফ্লাইট। এছাড়া কার্গো, ত্রান-সাহায্য, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, জরুরি অবতরণ ও স্পেশাল ফ্লাইট পরিচালনার কার্যক্রম চালু থাকবে।

আজ শনিবার বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এ তথ্য জানিয়েছে। এ নিয়ে তিন দফা দফা নিষেধাজ্ঞার  মেয়াদ বাড়ানো হলো।

বেবিচকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আর্ন্তাতিক ফ্লাইটে যাত্রী পরিবহনের (সিডিউল প্যাসেঞ্জার ফ্লাইট) ক্ষেত্রে বিমান চলাচল নিষেধাজ্ঞা ৩০ এপ্রিল ২০২০ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞা বাহরাইন, ভুটান, হংকং, ভারত, কুয়েত, মালয়েশিয়া,  মালদ্বীপ,  ওমান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা,  সিঙ্গাপুর,  থাইল্যান্ড,  তুরস্ক, ইউএই, ইউকে (মোট ১৬টি  দেশ)-এর সাথে বিদ্যমান বিমান চলাচল রুটের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।

একই সাথে অভ্যন্তরীণ যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে বিমান চলাচল নিষেধাজ্ঞা আগামী ৩০এপ্রিল বর্ধিত করা হয়েছে।
করোনাভাইরাসের কারণে প্রথম ২১ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাজ্য, চীন, হংকং, থাইল্যান্ড ছাড়া সব দেশের সঙ্গে যাত্রীবাহী সব বিমান সংস্থার ফ্লাইট চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল বেবিচক। এরপর আরেক আদেশে এই সময়সীমা আরো সাত দিন বাড়িয়ে ৭ এপ্রিল এবং এরপর তা ফের বাড়িয়ে ১৪ এপ্রিল করা হয়েছি। এবার তা বাড়িয়ে ৩০ এপ্রিল করা হলো।

ববিচকের আগের ঘোষণায় যুক্তরাজ্য, চীন, হংকংয়ের সঙ্গে যাত্রীবাহী ফ্লাইটগুলো সরাসরি চলবে বলে জানানো হয়েছিল। কিন্তু ওই ঘোষণার সাত দিনের মধ্যে বর্তমানে চীন ছাড়া বাকি তিনটি রুট বন্ধ করে দেয় এয়ারলাইন্সগুলো। এখন শুধু চীনের গুয়াংজু রুটে ফ্লাইট চালু আছে। এই রুটে প্রতি সপ্তাহের রবিবার ফ্লাইট পরিচালনা করছে দেশিয় বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।

বৈশাখী নিউজএপি