মদনে চোরের উৎপত্তি বেড়ে গেছে, আতঙ্কে আছে মদনের এলাকাবাসী

আঙ্গুর রহমান ভূঁইয়া, নেত্রকোনা প্রতিনিধি: মদন পৌর সদরের ৭ নং ওয়ার্ডে দুর্ধর্ষ চুরির পর ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মদন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুফতি আনোয়ার হোসেনের ছোট বোন কুলসুম আক্তারের বাসার জিনিস পত্র।
গত মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) মদন পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের দেওয়ান বাজারের রাস্তার পাশের বাসায় তালা দিয়ে সকাল ১০ টার দিকে শিশু ছেলেকে নিয়ে স্কুলে যান কুলসুম আক্তার ।
পরে দুপুর ১২টার দিকে বাসায় ফিরে এসে দেখেন তালা ভেঙে চোর চক্রের সদস্যরা ষ্টিলের আলমারি ভেঙে ৬ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ৬০ হাজার টাকা চোরি করে নিয়ে গেছে।
এ ঘটনায় উপজেলা ভাই চেয়ারম্যান মুফতি আনোয়ার হোসেনের ছোট বোন কুলসুম আক্তার (৩০)বলেন, সকাল ১০টার দিকে তালা দিয়ে বাসা থেকে বাচ্চাদেরকে নিয়ে স্কুলে যাই, স্কুল থেকে ফিরে এসে দেখি তালা ভাঙ্গা অবস্থায় ঝুলে আছে।
বাসার ভিতরের গিয়ে দেখি স্টিলের আলমারি ভেঙ্গে আমার ৬ ভরি স্বর্ণালঙ্কার গহনা এবং নগদ ৬০ হাজার টাকা নিয়েছে।
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুফতি আনোয়ার হোসেন বলেন এ যেন পরিকল্পিত দুর্ধর্ষ চুরি, আমার ছোট বোন কুলসুমের বাসায়, যে চোরির ঘটনাটি ঘটেছে, এটা দুঃখজনক বিষয়, চতুর্দিকে মানুষজন কাজ করছে, দিন দুপুরে গ্রিলের দরজার তালা ভেঙ্গে ৬ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নগদ ৬০ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে কারো চোখে পড়ছে না, দুঃখজনক বিষয়, প্রশাসন, সোচ্চার, সুনজর দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।
মদন পৌর সদরে প্রতিদিন এমন চুরির ঘটনা ঘটেছে, এ নিয়ে মদন পৌরসভার সুশীল সমাজ বাসা বাড়ি নিয়ে আতঙ্কে বিরাজ করছে, কখন কার বাসা গ্রিলের তালা ভেঙ্গে চুরি হয়।
মদন পৌরসভা চোরের উৎপত্তি বেড়ে গেছে,রাত পোহালেই শোনা যায়, চুরির ঘটনা ঘটেছে ।
এ বিষয়ে মদন থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ তাওহীদুর রহমান তিনি এ প্রতিনিধিকে বলেন, চোর শনাক্ত ও ধরার জন্য পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে, চোর চক্রের সদস্যদের ধরার জন্য পুলিশ মাঠে রয়েছে, এবং আমাদের সকল চেষ্টা অব্যাহত আছে।


