মিথ্যা মামলায় কাউকে হয়রানি নয়: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা জানালেন তথ্যমন্ত্রী

মিথ্যা অভিযোগের মামলায় কোনো ব্যক্তিকে যাতে হয়রানি করা না হয় সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন,সরকার প্রধানের এই নির্দেশনা তুলে ধরেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
তিনি বলেন, অভিযোগ থাকলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সোমবার (১ জুন) ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন জহির উদ্দিন স্বপন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন,ইতিমধ্যে সাংবাদিক নেতারা, সংবাদপত্রের সম্পাদকরা প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করেছেন, সংবাদপত্রের এর মালিকরা দেখা করেছেন।
সবাই বলেছেন যে এই প্রথম তারা নিয়ন্ত্রণবিহীনভাবে সাংবাদিকতা করেছেন ৷ কোথাও কোনো মহল থেকে, সরকারি মহল থেকে কোনো ধরনের চাপ বা কোনো ধরনের কোনো কিছু করা হয়নি।
ফ্যাসিবাদর উত্তর পরিস্থিতিতে যে ধরনের মামলা মোকদ্দমাটা ছড়িয়ে পড়েছে চারিদিকে অনেকটাই ক্ষোভ বিক্ষোভ থেকে আর ভিকটিমরা তো স্বাভাবিক করবেনই ৷
কিন্তু এই মামলাগুলি কতটা গোছানো কতটা অগোছালো নতুন সরকার হিসেবে আমাদেরকে সেটা দেখতে হচ্ছে ৷
এক্ষেতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সুনির্দিষ্ট অপরাধ ছাড়া কোনো মিথ্যা অভিযোগে কাউকে হয়রানি আমরা হতে দেব না ৷ সুনির্দিষ্ট অপরাদ বা অভিযোগ যাই থাক তা দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী এগিয়ে চলবে ৷
আদ-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের উপর হামলা ঘটনা ও এর বিচার সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে এখনো দেখিনি সংবাদটা, ভালো করে আমি দেখতে পাইনি।
তবে আপনার মুখে আমি যতটুকু শুনলাম তাতে বোঝাই যায় যে ওই প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়নি যদি আপনার বক্তব্য সত্য হয়ে থাকে।
তবে আমি আরো বিস্তারিত খবর নেই। একই সাথে মনে রাখা দরকার যে গণমাধ্যমের কাজই হচ্ছে সবকিছুকে জনগণের সামনে ট্রান্সপারেন্ট করে তুলে ধরা।
এবং সেই কাজ করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করাই হচ্ছে রাষ্ট্র এবং সমাজের সকলের দায়িত্ব। বিশেষ করে মনে করি যে যারা টেলিভিশন সাংবাদিক আপনাদের তো একদম সরাসরি আপনারা দেখাচ্ছেন যেখানে এখানে বরং বিকৃত করার সম্ভাবনা কম।
অন্য যে মাধ্যম যারা সংবাদ সংগ্রহ থেকে শুরু করে প্রকাশ পর্যন্ত সময় পান তাদের কিন্তু সংবাদে ভুল ভ্রান্তি হওয়ার সুযোগ থাকে অথবা দ্বিতীয় পক্ষ এটাকে বিকৃত করতে পারে। কিন্তু যারা আপনারা লাইভ করেন তাদের তো আসলে কোন কিছু করার নেই।
সরাসরি সম্প্রচার প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রীর নিজের মতামত তুলে ধরে বলেন, এটা যত বেশি বাড়বে যত বেশি হবে ততই তো ভালো। আমরা এই সরকার আমাদের প্রধানমন্ত্রী বারবার জবাবদিহিতা সংস্কৃতির কথা বলেছেন। আমরা সেই আলোকেই এই বিশ্লেষণ করি, বিচার করি এবং মূল্যায়ন করি।
সাভারে সাংবাদিকদের উপর হামলার বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন,এটা খুবই দুঃখজনক এবং খুবই নিন্দনীয়। এরকম ঘটনা একেত মাদক চক্র হলো সবচাইতে দেশের এখন বড় বড় অপরাধ চক্রের মধ্যে সবচেয়ে বড় অপরাধ।
তদুপরি আবার এই অপরাধী চক্র যখন সাংবাদিকতার মত এরকম একটি জরুরি গুরুত্বপূর্ণ পেশাদারদের উপর আক্রমণ চালায় ৷
ঘটনাটা আমি তদন্ত করব, খবর দেব এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী হিসেবে নিশ্চয়ই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন আমিও ব্যক্তিগতভাবে তাকে বলবো ৷












