একদিনে ভারতে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দ্বিগুণ বৃদ্ধি

ভারতে দৈনিক করোনা সংক্রমণ সামান্য কমলেও গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে দৈনিক সংক্রমণ ৬.৪ শতাংশ কমেছে। সংক্রমণের হারও কিছুটা কম। এক দিনে মোট ১৫ লাখ ৭৯ হাজার ৭২৮ জনের করোনা পরীক্ষায় সংক্রমণ ধরা পড়েছে এক লক্ষ ৬৮ হাজার ৬৩ জনের। ফল সংক্রমণের হার দাঁড়িয়েছে ১০.৪৬ শতাংশে। যা আগের দিন ১৩.২৯ শতাংশ ছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় দৈনিক সংক্রমণ কমেছে মহারাষ্ট্র, দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যগুলোতে। দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে এই মুহূর্তে মহারাষ্ট্রের পরেই রয়েছে বাংলা।

দেশটিতে বেশি আক্রান্ত রাজ্যগুলোর মধ্যে মঙ্গলবারও শীর্ষে ছিল মহারাষ্ট্র। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ হাজার ৪৭০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে এই রাজ্যে। তবে এই সংখ্যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১১ হাজার কম। সংক্রমণ কিছুটা কমেছে দিল্লিতেও। তবে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যায় দিল্লিকে ছাপিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯ হাজার ২৮৬ জন সংক্রমিত হয়েছেন এ রাজ্যে। দিল্লি রয়েছে তৃতীয় স্থানে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে সংক্রমিত হয়েছেন ১৯ হাজার ১৬৬ জন। যদিও বিশেষজ্ঞদের মত, সংখ্যায় এই সামান্য হেরফের দেখে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো উচিত হবে না।

এদিকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। সোমবার ভারতে করোনায় মৃত্যু হয়েছিল ১৪৬ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন ২৭৭ জন। এ ছাড়া দেশে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা এখন আট লাখ ২১ হাজার ৪৪৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৬৯ হাজার ৯৫৯ জন। তবে সুস্থতার হার এখনও নিম্নমুখী। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতার হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৬.৩৬ শতাংশে।

এ দিকে, করোনার ওমিক্রনের রূপের সংক্রমণও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। ভারতে এই মুহূর্তে মোট ওমিক্রন আক্রান্ত চার হাজার ৪৬১ জন। ওমিক্রন থেকে সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৭১১ জন। ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাতেও শীর্ষে মহারাষ্ট্রই। এ রাজ্যে মোট ওমিক্রন আক্রান্ত ১২৪৭ জন। এর পরেই রয়েছে যথাক্রমে রাজস্থান (৬৪৫), দিল্লি (৫৪৬), কর্নাটক (৪৭৯), কেরল (৩৫০), উত্তরপ্রদেশ (২৭৫) এবং গুজরাত (২৩৬)। ওমিক্রন আক্রান্তের তালিকায় ১৫ নম্বরে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ২৭। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১০ জন। সূত্র: আনন্দবাজার

বৈশাখী নিউজ/ বিসি