যুদ্ধে আপত্তি থাকলেও রুশ মাছে অরুচি নেই জাপানের

গোড়া থেকেই ইউক্রেনে রুশ অভিযানের তীব্র নিন্দা করেছে জাপান। যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়িয়ে মস্কোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে টোকিও। জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা পুতিন প্রশাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে মামলা চালানোর দাবিও জানিয়ে ফেলেছেন।

তবে যুদ্ধে আপত্তি থাকলেও রুশ মাছে জাপানের যে অরুচি নেই তা স্পষ্ট। এবার মৎস্য শিকার সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে দুই দেশ।

স্যামন ও ট্রাউট মাছ শিকার নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। শনিবার (২৩ এপ্রিল) জাপানের মৎস দপ্তর জানিয়েছে, রাশিয়ার নদীতে জন্মানো স্যামন ও ট্রাউট মাছ শিকারের বরাদ্দ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি হয়েছে। এর ফলে নিজের ‘এক্সক্লুসিভ ইকোনোমিক জোন’ তথা ‘স্বতন্ত্র অর্থনৈতিক অঞ্চলে’ রাশিয়ায় জন্মানো ২ হাজার ৫০ টন স্যামন ও ট্রাউট মাছ শিকার করতে পারবেন জাপানি মৎসজীবীরা।

এর জন্য রাশিয়াকে ফি বাবদ প্রায় ২০০ মিলিয়ন ইয়েন (১.৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) দেবে জাপান। গতবছরও মস্কো ও টোকিওর মধ্যে এই চুক্তি হয়। তবে এ বছর ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার পারদ চড়ে। যার জেরে জাপানের মৎসজীবীরা কিছুটা আশঙ্কায় ভুগছিলেন।

বলে রাখা ভালো, গোড়া থেকেই ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার তীব্র নিন্দা করেছে জাপান। মিত্রদেশ যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়িয়ে মস্কোর উপর নিষেধাজ্ঞা করেছে টোকিও। যার ফলে দুই দেশের মধ্যে পূর্বনির্ধারিত বেশ কিছু প্রকল্পের কাজ থেমে গিয়েছে। রাশিয়া থেকে তেল ও গ্যাস আমদানিতেও রাশ টেনেছে টোকিও। সবমিলিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে।

বৈশাখী নিউজ/ ইডি