ভূগর্ভস্থ ড্রোন ঘাঁটি উন্মোচন ইরানের

তেলের ট্যাংকার জব্দ করা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তুমুল উত্তেজনার মধ্যেই ভূগর্ভস্থ সামরিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাঁটি উন্মোচন করেছে ইরান। বিশেষায়িত ড্রোনগুলো অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে সক্ষম বলেও দাবি তেহরানের।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম একটি ভিডিও প্রকাশ করে জানায়, ইরানের জ্যাগ্রোস পর্বতের ভূগর্ভস্থ সামরিক ঘাঁটিতে এ রকম কয়েকশ অত্যাধুনিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ একটি ড্রোন আবাবিল ফাইভ।

এটি আবার যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য হেলফায়ারের আদলে নির্মিত অত্যাধুনিক কাশেম নাইন ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে সক্ষম।

ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম রাখা হয়েছে ‘হেইদার-ওয়ান’। এটি ইরানের বিমান বাহিনীর ড্রোন ‘কামান-টোয়েন্টি টু’-এ বসানোর পাশাপাশি সেখান থেকেই নিক্ষেপ করা যায় বলে দাবি করা হয়। হেইদার-১ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ২০০ কিলোমিটার এবং লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের সময় এর গতি থাকে ঘণ্টায় এক হাজার কিলোমিটার।

এটি ইরানের প্রথম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, যা ড্রোন থেকে নিক্ষেপ করা যায়। নতুন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মাদ বাকেরি।

ইরানের সেনা কমান্ডার মেজর জেনারেল আবদুল রহিম মোউসাবির দাবি, ইরানি বাহিনীর তৈরি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ওই অঞ্চলের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র। ভূগর্ভস্থ অস্ত্রের ঘাঁটি উন্মোচন করা হলেও সেখানকার সঠিক স্থান প্রকাশ করা হয়নি। এমনকি ইরানের যে সাংবাদিক ওই ভিডিও ধারণ করেছেন তাকেও চোখ বেঁধে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়।

গ্রিস উপকূল থেকে ইরানের পতাকাবাহী তেল ট্যাংকার জব্দের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তুমুল উত্তজনার মধ্যেই ভূগর্ভস্থ সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করলো রাইসি প্রশাসন।

বৈশাখী নিউজ/ ইডি