বিক্ষোভ ঠেকাতে উজবেকিস্তানে জরুরি অবস্থা জারি

উজবেকিস্তানের কারকালপাকস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রত্যাহারের একটি সংবিধান সংশোধনীর বিষয় জনসমক্ষে প্রকাশের পর অঞ্চলটিতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটায় অঞ্চলটিতে কারফিউ জারি করা হয়েছে।

রাশিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শাভকাত মির্জিওয়েভ নিহতের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

শুক্রবার দেশটির নুকুস শহরে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের প্রেসিডেন্ট মির্জিওয়েভ বলেছেন, ‘সরকারি ভবনে হামলা হয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত বেসামরিক ও আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।’

তবে ঠিক কতজন প্রাণ হারিয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি প্রেসিডেন্ট।

এর আগে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, একটি অপরাধী গোষ্ঠী রাস্তার প্রতিবাদকে প্ররোচিত করছে এবং উজবেকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় কারাকালপাকস্তানে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করেছিল।

রোববার থেকে কারাকালপাকস্তানে এক মাসের জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। অঞ্চলটিতে রাত ৯টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত কারফিউ থাকবে।

প্রেসিডেন্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক নথিতে বলা হয়েছে, এ অঞ্চলে যেকোনো ধরনের বিক্ষোভের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও আন্দোলনের ওপর বিধিনিষেধ থাকবে।

সাংবিধানিক সংশোধনীর অংশ হিসেবে কারাকালপাকস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রত্যাহার করার একটি পরিকল্পনা প্রকাশিত হওয়ার পর অঞ্চলটিতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

প্রেসিডেন্ট মিরজিওয়েভের দাবি, প্রস্তাবিত সংস্কারের বিষয়ে ভুল-বোঝাবুঝির কারণে এমন প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে কারাকালপাকস্তানের অবস্থা অপরিবর্তিত থাকবে এবং সংশোধনীর চূড়ান্ত প্রস্তাব গণভোটের জন্য রাখা হবে।

একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে বলেছেন, ‘যারা শান্তি ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

বৈশাখী নিউজ/ বিসি