মাসে এক পিৎজা ও দুবার শপিংয়ের শর্তে তরুণীর বিয়ে!

মাসে একবার পিৎজা খাওয়া এবং ১৫ দিন অন্তর শপিংয়ে নেওয়ার শর্তে বিয়ে করেছেন এক তরুণী। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের আসামে। রোববার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রীতিমতো চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করে গত ২১ জুন একসঙ্গে পথ চলা শুরু করেছে আসামের এক দম্পতি। আটটি শর্ত মেনে চলার লিখিত অঙ্গীকারে শুরু হয়েছে বর-কনের জীবনের নতুন ইনিংস।

বিয়ের ওই চুক্তিপত্র ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। গত ২১ জুন বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর চুক্তির সেই ভিডিও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা হয়।

কনে শান্তি প্রসাদ পিৎজাপ্রেমী। আসামের গুয়াহাটিতে প্রথা মেনেই বর মিন্টু রায়ের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে। পাশাপাশি সই হয়েছে ওই চুক্তিপত্র। একসময় একই কলেজের বাণিজ্য শাখার শিক্ষার্থী তারা।

বিয়ের শর্তগুলো হলো-

১. মাসে একটাই পিৎজা খাওয়া যাবে।

২. ঘরের খাবারে কখনও ‘না’ বলা যাবে না।

৩. কনেকে প্রতিদিন শাড়ি পরতে হবে।

৪. লেট নাইট পার্টি করাই যাবে। কিন্তু তা করতে হবে একে-অপরের সঙ্গেই।

৫. নিয়মিত জিমে যেতে হবে।

৬. স্বামীকে প্রতি রোববার প্রাতঃরাশ বানাতে হবে।

৭. প্রতিটি পার্টিতে স্ত্রীর ভালো ছবি তুলে দিতে হবে স্বামীকে।

৮. ১৫ দিন অন্তর বউকে শপিং করাতে নিয়ে যেতে হবে।

‘ওয়েডলক ফটোগ্রাফি’ নামের একটি ইনস্টাগ্রাম পেজে শেয়ার করা হয়েছে ওই চুক্তি স্বাক্ষরের ভিডিওটি, যা মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনকে সাক্ষী রেখে নতুন জীবন শুরু করে ওই দম্পতি। প্রথা অনুযায়ী মালাবদলের পরই তাদের দেখা যায় চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করতে।

অবশ্য বিয়ের এমন ভিডিও ও চুক্তিপত্র দেখে অনেকেই অবাক। অনেকে নানা ধরনের মন্তব্য করছেন ভিডিওটি দেখার পর। একজন লিখেছেন, ‘বিয়ে কোথায়, এ তো শর্ত। শেরওয়ানি পরেই তাতে স্বাক্ষর করা হলো।’

বৈশাখী নিউজ/ জেপা