সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শিরোপা জিতলো এসইউ ডমিনেটরস

সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি স্পোর্টস ক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট “এসইউ চ্যাম্পিয়নস লিগ ২০২৫”। নয়টি দলের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় প্রতিটি দলের টিম ওনার হিসেবে ছিলেন একজন শিক্ষক এবং টিম অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ছিলেন একজন ছাত্রী।
রবিবার তেজগাঁওয়ের টার্ফ নেশনে অনুষ্ঠিত সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি (এসইউ) চ্যাম্পিয়ন্স লিগের রোমাঞ্চকর ফাইনালে টাইব্রেকারে জয় ছিনিয়ে নিয়ে শিরোপা ঘরে তোলে এসইউ ডমিনেটরস। প্রতিদ্বন্দ্বী এসইউ রয়েলস রানার্সআপ হয়। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন নাঈম, আর সেরা গোলকিপারের পুরস্কার জেতেন এসইউ ডমিনেটরসের জাকির।
ফাইনাল ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে আক্রমণ ও প্রতিরক্ষায় সমানতালে লড়াই করলেও কোনো দল গোল করতে পারেনি। ফলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে, যেখানে ডমিনেটরসের গোলকিপার জাকির একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে শিরোপার পথ দেখান। তাঁর অসাধারণ পারফরম্যান্সই দর্শকদের কাছে ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে ওঠে।
এবারের আসরে মোট নয়টি দল অংশ নেয়। গ্রুপ পর্ব থেকে নকআউট পর্ব পর্যন্ত খেলোয়াড়দের প্রতিভা, টিমওয়ার্ক এবং কৌশলগত খেলা টুর্নামেন্টকে সমৃদ্ধ করে তোলে। ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ও সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এসইউ ডমিনেটরস ফাইনালে পৌঁছে শেষ পর্যন্ত শিরোপা নিশ্চিত করে।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান, উপাচার্য প্রফেসর শামীম আরা হাসান, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর বুলবুল আহমেদ, সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি স্পোর্টস ক্লাবের ডিরেক্টর মেহরাব হোসেন জশী, স্পোর্টস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট আবু বক্কর জনি, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক নির্বাচক হান্নান সরকার এবং সাবেক জাতীয় ফুটবল দলের গোলরক্ষক বিপ্লব ভট্টাচার্য। তাঁদের উপস্থিতি টুর্নামেন্টকে আরও গৌরবান্বিত করে।
বিজয়ী দল এসইউ ডমিনেটরস, রানার্সআপ এসইউ রয়েলস, সেরা খেলোয়াড় নাঈম এবং সেরা গোলকিপার জাকিরের হাতে ট্রফি ও ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা। দর্শকদের করতালি ও উচ্ছ্বাসে মাঠ মুখরিত হয়ে ওঠে।
স্পোর্টস ডিরেক্টর মেহরাব হোসেন জশী বলেন, সবার সহযোগিতা এবং খেলোয়াড়দের বন্ধুসুলভ মনোভাব এই আয়োজনকে সফল করেছে।
আয়োজকদের মতে, এসইউ চ্যাম্পিয়নস লিগ ২০২৫ শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বগুণ বিকাশ, টিম স্পিরিট গড়ে তোলা, স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানসিক সতেজতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। টার্ফ নেশনের আধুনিক সুবিধা, দর্শকবান্ধব পরিবেশ এবং খেলোয়াড়দের অসাধারণ ক্রীড়া নৈপুণ্য এবারের আসরকে দীর্ঘদিন স্মরণীয় করে রাখবে।

















