ঘুষের টাকা ফেরত চেয়ে তহশিলদারের বিরুদ্ধে ডিসির কাছে লিখিত অভিযোগ!

আপডেট: May 23, 2026 |
inbound7108402719416935638
print news

বানারীপাড়া প্রতিনিধি : বরিশালের বানারীপাড়ায় সদর ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) মুহাম্মদ ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে নামজারি ও মিসকেসের প্রতিবেদন দেওয়ার নামে দুই কলেজ শিক্ষকের কাছ থেকে এক লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় ঘুষের টাকা ফেরত ও অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (২০ মে) বানারীপাড়ার বাইশারী সৈয়দ বজলুল হক কলেজের অধ্যাপক আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল কাইয়ুম আকন জেলা প্রশাসকের নিকট এ অভিযোগ দাখিল করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, অধ্যাপক আব্দুল কাইয়ুম আকনদের পৈত্রিক সম্পত্তির তিনটি নামজারির জন্য ৭৫ হাজার টাকা এবং একই কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আলমগীর হোসেনগংদের ৫/২০২৩-২৪ (১৫০ ধারা) নং মিসকেসের প্রতিবেদনের জন্য আরও ২৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়।

পরে দুইজনের কাছ থেকে একসঙ্গে এক হাজার টাকার নোটে মোট এক লাখ টাকা গ্রহণ করেন ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মুহাম্মদ ওবায়দুর রহমান।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর বিকাল ৩টার দিকে অফিসে বসেই ওই টাকা গ্রহণ করা হয় এবং ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেন পৌর শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আকবর হোসেন।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা জানতে পারেন, নামজারির সরকারি ফি মাত্র ১১৭০ টাকা এবং মিসকেস প্রতিবেদনের জন্য কোনো সরকারি ফি নেই।

এতে তারা প্রতারণার শিকার হয়েছেন দাবি করে ঘুষের টাকা ফেরত ও অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বানারীপাড়া ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মুহাম্মদ ওবায়দুর রহমান বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”

এ বিষয়ে বানারীপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নওশীন নূসরাত বলেন, জেলা প্রশাসক মহোদয় অভিযোগের কপি পাঠালে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অন্যদিকে, মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর