কাউন্সিলর হতে আওয়ামী লীগের কঠিন শর্ত

বিশেষ প্রতিনিধি: অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয়‘কাউন্সিলর’ নির্বাচনে কঠোর বিধি নিষেধ আরোপ করা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, এবার জেলা এবং মহানগর কমিটিকে কাউন্সিলর নির্বাচনের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিচ্ছে। জেলা ও মহানগর সম্মেলনে কাউন্সিলর নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো নির্ধারণ করতে হবে।

কাউন্সিলর নির্বাচিত হতে হলে ২০০৮ সাল বা তার পূর্বে আওয়ামী লীগে যোগ দিতে হবে।বিএনপি এবং জামাত থেকে বিএনপিতে আসা কেউ ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলা বা অন্যকোনো জনপ্রতিনিধি হলেও কাউন্সিলর হতে পারবেন না। সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির মামলায় অভিযুক্ত কেউ কাউন্সিলর হতে পারবে না।

জঙ্গিবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মর্মে অভিযুক্ত কাউকে কাউন্সিলর হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। মাদক ব্যবসায় জড়িত এমন তালিকাভুক্ত কেউ কাউন্সিলর হতে পারবে না। দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত কেউ কাউন্সিলর হতে পারবেন না। নারী নির্যাতন বা যৌন হয়রানীর অভিযোগে অভিযুক্ত কেউ কাউন্সিলর হতে পারবে না। দলের সিদ্ধান্ত লঘন করে যারা কোন পর্যায়ের নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেছে তাঁরা কাউন্সিলর হতে পারবেন না। জেলা ও মহানগর পর্যায়ে নেতাদের ব্যাক্তিগত কর্মচারীদের কাউন্সিলর করা যাবে না। মন্ত্রী বা সংসদ সদস্যদের পিএস, এপিএস, বা ব্যাক্তিগত কর্মকর্তারা কাউন্সিলর হতে পারবে না।

এই নির্দেশনা মেনে ঈদের পর থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে জেলা ও মহানগরীতে সম্মেলন করে কাউন্সিলর চূড়ান্ত করা হবে।