৩০তম দিনে ইসরায়েল ও গাজার যুদ্ধ পরিস্থিতি যা দাড়িয়েছে

রবিবার ৩০তম দিন পার করছে ইসরায়েল ও গাজার যুদ্ধ। ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস সীমান্ত পেরিয়ে ইসরায়েলে এক নজিরবিহীন হামলা চালায়। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, সেই হামলায় প্রায় এক হাজার ৪০০ জন নিহত এবং ২৪০ জনেরও বেশি জিম্মি হয়েছে। সেদিন থেকেই যুদ্ধ শুরু হয়।
ইসরায়েল ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে লাগাতার বোমাবর্ষণ শুরু করে এবং সেনা পাঠায়। হামাস শাসিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৯ হাজার ৪৮৮ জন নিহত হয়েছে, যার দুই-তৃতীয়াংশ নারী ও শিশু।
ইসরায়েল ও গাজার যুদ্ধে গত ২৪ ঘণ্টার পাঁচটি উল্লেখযোগ্য খবর :
ব্লিনকেন ও আব্বাসের বৈঠক
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার কারণে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন রবিবার রামাল্লায় একটি আকস্মিক সফরে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে দেখা করেছেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ব্লিনকেন রবিবার মাহমুদ আব্বাসকে বলেছেন, গাজার ফিলিস্তিনিদের ‘জোর করে বাস্তুচ্যুত করা উচিত নয়’।
মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেছেন, তারা পশ্চিম তীরে ‘ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে চরমপন্থী সহিংসতা বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তা’ নিয়েও আলোচনা করেছেন।
এর আগে এই অঞ্চলে সফরের অংশ হিসেবে শনিবার জর্দানে যান শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিক। এর আগে হামাসকে ধ্বংস করার যুদ্ধে মানবিক ‘বিরতি’ নিশ্চিত করতে তার প্রচেষ্টাকে ইসরায়েল প্রত্যাখ্যান করে। এরপর জর্দানে তিনি পাঁচজন আরব পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ক্রোধের ক্রমবর্ধমান জোয়ারের মুখোমুখি হন।
মিসরীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামেহ শউকরি ‘অবিলম্বে ও ব্যাপক যুদ্ধবিরতি’ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তার দেশ বিদেশিদের গাজা থেকে পালাতে এবং গাজায় সহায়তা প্রবেশের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে।
এদিকে গাজায় রক্তপাতের প্রতিবাদে আংকারা ইসরায়েল থেকে তার রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করার এক দিন পর রবিবার ব্লিনকেনের তুরস্কে যাওয়ার কথা।













