যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে প্রায় ৪৩ কোটি ডলারের সমরাস্ত্র কিনছে ভারত

আপডেট: May 20, 2026 |
inbound5698704463566210017
print news

ভারতের কাছে ৪২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের সমরাস্ত্র বিক্রি করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার (১৮ মে) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে মূলত দুই ধরনের সমরাস্ত্র কিনছে ভারত— এইচ-৬৪ই অ্যাপাচে হেলিকপ্টার এবং এম-৭৭৭ এ২ আলট্রা-লাইট হাউইৎজার ক্ষেপণাস্ত্র। দু’টি চালানে এসব সমরাস্ত্র ভারতে পাঠানো হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই ৪২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের বাজেটের অর্ধেকেরও বেশি— ২৩ কোটি ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে এম-৭৭৭ এ২ আলট্রা-লাইট হাউইৎজার ক্ষেপণাস্ত্র ও এর সঙ্গে সংশ্লিস্ট বিভিন্ন খাতে।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এম-৭৭৭ এ২ আলট্রা-লাইট হাউইৎজার ক্ষেপণাস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্রের আনুষাঙ্গিক উপাদান, স্পেয়ার, মেরামত, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত সহায়তা, ফিল্ড সার্ভিস, ডিপো সক্ষমতা এবং লজিস্টিক ও প্রোগ্রাম সাপোর্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের জন্য এই অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।’

বাকি ১৯ কোটি ৮২ লাখ ডলারে অ্যাপাচে হেলিকপ্টার কিনেছে ভারত। তবে কয়টি হেলিকপ্টার কিনেছে— তা উল্লেখ করা হয়নি মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে।

ভারত ঐতিহাসিকভাবে সমরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের জন্য রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশি ঔপনিবেশিক শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে এখন পর্যন্ত রাশিয়ার কাছ থেকেই নিজেদের প্রতিরক্ষা চাহিদার অধিকাংশ সমরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম কিনে আসছে ভারত।

তবে ২০২৫ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও বেশি সমরাস্ত্র কেনার জন্য চাপ দিতে শুরু করেন। মূলত সেই চাপের প্রেক্ষিতেই ভারত নতুন করে এই অস্ত্র কেনার উদ্যোগ নেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই প্রস্তাবিত বিক্রয় মার্কিন-ভারতীয় কৌশলগত সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে এবং একটি প্রধান প্রতিরক্ষা অংশীদারের নিরাপত্তা উন্নত করার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার উদ্দেশ্যকে সমর্থন করবে।

ভারত আমাদের এমন একজন অংশীদার, যে ইন্দো-প্যাসিফিক এবং দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, শান্তি এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে কাজ করে চলেছে।’

সূত্র: এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর