আগামী দুই বছরের মধ্যে চালু হবে ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর: বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী

আপডেট: May 21, 2026 |
inbound5059134426348601163
print news

জাহাঙ্গীর আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দরটি আগামী দুই বছরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে।

সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আজ ২০ মে (বুধবার) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন।

এসময় তার সফর সঙ্গী হিসেবে এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং মাননীয় মন্ত্রী স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় (এলজিআরডি) মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে নেতৃবৃন্দ জানান, উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশে এই বিমানবন্দরটি পুনরায় চালু করা অত্যন্ত জরুরি।

বিগত সরকারের আমলে অবহেলিত থাকা এই বিমানবন্দরটি চালুর মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হতে যাচ্ছে।

পরিদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে বক্তারা বলেন, “আমাদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যন্নয়নে বন্ধ ও পরিত্যক্ত বিমানবন্দরটি পুনরায় চালু করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই আজ এই পরিদর্শন।

আগামী দুই বছরের মধ্যে এই বিমানবন্দর থেকে যাতে বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু করা যায়, সেই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে।”

উক্ত পরিদর্শন ও সুধী সমাবেশে ঠাকুরগাঁও -৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাহিদুর রহমান জাহিদ, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. ইসরাফিল শাহীন, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, জেলা বিএনপির সভাপতি ফয়সাল আমিন এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দরটি চালু হলে শুধু ঠাকুরগাঁও নয়, বরং পার্শ্ববর্তী পঞ্চগড় ও দিনাজপুরের লাখ লাখ মানুষ সরাসরি বিমান যোগাযোগের সুবিধা পাবেন।

একই সাথে দেশের অন্যতম বৃহত্তম স্থলবন্দর বাংলাবান্ধার সাথে রাজধানীর যোগাযোগ সহজ হবে, যা এ অঞ্চলের শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এক অভূতপূর্ব বিপ্লব ঘটাবে।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর