যারা করোনা টিকা নেবে না তাদের তালিকা করছে স্পেন

আপডেট: December 29, 2020 |
print news

যারা করোনাভাইরাসের টিকা নিতে অনিচ্ছুক তাদের নাম নিবন্ধন করছে স্পেন। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, এই তথ্য তারা ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর সাথে শেয়ার করবে।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রী সালভাদর ইলা বলেছেন, এই তালিকা সাধারণ জনগণ এবং চাকরিদাতাদের কাছে উন্মুক্ত করা যাবে না। এই ভাইরাসকে পরাজিত করার উপায় হল “আমাদের যত বেশি জনকে টিকা দেয়া হবে ততই ভালো”।

করোনাভাইরাসের কারণে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে স্পেন অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত একটি দেশ। দেশটিতে এখন ফাইজারের টিকা দেয়া শুরু করেছে। গত সপ্তাহেই ইইউ সদস্য দেশগুলোর জন্য অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
সোমবার লা সেক্সটা টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাতকারে সালভাদর ইলা জোর দিয়ে বলেন টিকা দান বাধ্যতামূলক না।

তিনি বলেন, যেটা করা হবে সেটা হল একটা নিবন্ধন করা। আমরা আমাদের ইউরোপিয়ান পার্টনারের সাথে শেয়ার করবো যে এইসব মানুষদের টিকা নেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল কিন্তু তারা সেটা গ্রহণ করেনি। এটা জনসম্মুখে প্রকাশ করার জন্য কোন তথ্য-প্রমাণ না। সবটাই করা হবে তথ্য রক্ষার প্রতি পূর্ণাঙ্গ শ্রদ্ধা রেখে সেটা করা হবে।

তিনি আরো বলেন, যাদেরকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল এবং তারা সেটা যেকোন কারণেই হোক ফিরিয়ে দিয়েছে সেটা নিবন্ধনে উল্লেখ থাকবে।

সবশেষ হিসাব অনুযায়ী, বর্তমান স্পেনের প্রায় ২৮ শতাংশ নাগরিকরা টিকা নিতে চান না। নভেম্বরে এই অনুপাত ছিল ৪৭%।

সোমবার তিনি আরো মন্তব্য করেন যারা টিকা নিতে চান তাদের সাথে আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করবে।

তিনি বলেন, যারা টিকা নিতে চান না আমরা মনে করি এটা একটা ভুল সিদ্ধান্ত কিন্তু তারপরেও এটা তাদের অধিকার। আমরা এই বিভ্রান্তি দুর করার চেষ্টা করছি। টিকা দেয়ার ফলে জীবন রক্ষা হবে”।

সোমবারেই স্পেনে কোভিড-১৯ এ মারা যাওয়ার সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে। মহামারির সময়ে দেশটি ১৮ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে বলে নিবন্ধন করে।

স্পেনে রাত ১১টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশজুড়ে কারফিউ চালু রয়েছে যেটা চলবে মে মাসের শুরু পর্যন্ত। অনেক স্থানে মানুষজনকে শুধুমাত্র কাজ করতে, ওষুধ কিনতে এবং বৃদ্ধ ও শিশুদের যত্ন নেয়ার জন্য বের হতে দেয়া হচ্ছে।

আঞ্চলিক নেতারা কারফিউ এর সময় পরিবর্তন করতে পারবেন, এমনকি সীমান্ত বন্ধ করে দিতে পারবেন।

বৈশাখী নিউজজেপা

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর