নৌকা বিরোধী প্রচারনায় গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার ছাত্রলীগ নেতা (ভিডিওসহ)

আদিত্য আহমেদ পলাশ

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ভাংনামারী ইউনিয়নে নৌকা বিরোধী প্রচারনা করতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছে জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আদিত্য আহমেদ পলাশ।

শুক্রবার রাতে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগ করতে গেলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মীরা তাকে এ গণধোলাই দেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পলাশ রাতের আঁধারে বিদ্রোহী প্রার্থী মফিজুন নূর খোকার মোটর সাইকেল প্রতীকে গণসংযোগ করছিলেন। গণসংযোগের ফাঁকে নৌকার সমর্থকদের টাকার বিনিময়ে মোটরসাইকেল প্রতীকে ভোট দিতে প্রভাবিত করছিলেন। খবর পেয়ে পলাশকে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা আটক করে কৈফিয়ত চায়। একপর্যায়ে পলাশ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হুমকি দিলে উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দেয়। পরে স্থানীয় সালিশের পর মুচলেকার মাধ্যমে পলাশকে স্বজনদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

ভাংনামারী ইউনিয়ন নৌকার প্রার্থী নুরুল ইসলাম আকন্দ বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। জেলা ছাত্রলীগ নেতার অবৈধ তৎপরতা সম্পর্কে প্রশাসনকেও অবগত করেছি। নির্বাচনের আগে কোন বিশৃঙ্খলা চাই না। নেতা-কর্মীদের শান্ত থাকতে বলেছি।

এ দিকে জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েও পলাশ দলীয় সর্বোচ্চ অভিভাবক সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অমান্য করে প্রকাশ্যে নৌকার বিরুদ্ধে প্রচারনায় অংশ নেয়ায় বিব্রত সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। নীতি-আদর্শ পরিপন্থি কর্মকান্ডের জন্য তাকে সংগঠন থেকে বহিস্কারই একমাত্র সমাধান তারা।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক হূমায়ূন কবির বলেন, পলাশের বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি।ইতোমধ্যে আমাদের জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমাদের তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আল আমিনকে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।