বেশি বেশি কলা খান? উপকারের বদলে হতে পারে ক্ষতি!

মুহূর্তের মধ্যে শক্তি পেতে কলার জুরি মেলা ভার। খেতে যেমন ভালো তেমন পুষ্টি গুণেও ভরপুর এই ফলটি। পেটও ভর্তি থাকে অনেকটা সময়। তবে যতই ভালো হোক না কেন লোভে পড়ে বেশি কলা খেয়ে ফেলবেন না যেন। কারণ বেশি খেলে ক্ষতির আশঙ্কাও থাকে।

তাই বেশি বেশি কলা খাওয়ার আগে জেনে নিন এর এক ডজন ক্ষতিকর দিক-

> মাঝারি মাপের একটি পাকা কলায় ১০৫ ক্যালরি শক্তি থাকে। তাই বেশি কলা খেলে ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনা হতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

> কারোর যদি মাইগ্রেনের সমস্যা থাকে তা হলে তাদের যতটা সম্ভব কলা এড়িয়ে চলা উচিত। কলায় টাইরামাইন নামে এক ধরনের উপাদান থাকে যা মাইগ্রেনের কারণ।

> রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেড়ে গেলে হাইপারক্যালেমিয়া রোগ হয়। এই রোগে আক্রান্তরা সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন। হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন অনিয়মিত হয়ে যায়। কলায় পটাশিয়াম থাকায় বেশি খেলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

> প্রচুর পরিমাণে শর্করা থাকায় বেশি কলা খেলে দাঁতের ক্ষতি হয়। এমনকি দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য কলা নাকি চকোলেটের থেকেও বেশি ক্ষতিকর।

> পাকা কলাতে ট্রিপটোফ্যান আমাইনো অ্যাসিড থাকে। এই অ্যাসিডের প্রভাবে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়, দেহে ক্লান্তি আসে এবং সব সময় ঘুম পায়।

> ভিটামিন বি ৬ বেশি খাওয়ার প্রভাবে স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি হয়ে থাকে। কলায় এই ভিটামিনের আধিক্য আছে তাই খুব বেশি কলা খাওয়া উচিত নয়।

> কলা অনেক সময়ই অ্যালার্জির কারণ হয়ে থাকে। ঠোঁট ফুলে যায়, গলা জ্বালা করে।

> যাদের শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা আছে, বেশি মাত্রায় কলা খেলে তা বেড়ে যেতে পারে।

> বাজার থেকে কেনা কলার বেশির ভাগই রাসায়নিকের সাহায্যে পাকানো হয়ে থাকে। তা ছাড়াও কলায় শর্করার পরিমাণ খুব বেশি। এ সবের জন্য পেট ব্যথা হতে পারে।

> কলা বৃহদন্ত্রের চলনে সাহায্য করে থাকে। কিন্তু বেশি পরিমাণ কলা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা যেতে পারে।

> কলাতে থাকা ফ্রুক্টোজ এবং ফাইবার এক সঙ্গে গ্যাস সৃষ্টি করতে পারে।

> সুগারের পরিমাণ বেশি থাকায় অত্যধিক মাত্রায় কলা খেলে ডায়াবিটিসের সম্ভাবনা থাকে।

সূত্র: এই সময়

বৈশাখী নিউজ/ বিসি