ফরিদপুরে ধর্ষণের শিকার নারী ইউপি সদস্য

তারেকুজ্জামান, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী ইউপি সদস্য। বোয়ালমারী
উপজেলা থেকে পাত্রী দেখে বাড়ি ফেরার পথে ইউনিয়ন পরিষদের নারী সদস্য সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় জড়িত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, গত সোমবার সকালে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আবদুল ওহাব এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে রোববার রাতে এ ঘটনায় বোয়ালমারী থানায় মামলা দায়ের করেছে ওই ভুক্তভোগী।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি হলেন বোয়ালমারী পৌরসভার দক্ষিণ কামার গ্রাম-রায়পুর এলাকার আবদুল হকের ছেলে মাহাবুব আলম (৩০)। তিনি পেশায় মাইক্রোবাসের ড্রাইভার।
জানা গেছে, আলফাডাঙ্গা উপজেলায় স্থানীয় এক নারী সদস্য শনিবার বিকেলে পার্শ্ববর্তী বোয়ালমারী উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের অমৃতনগর গ্রামে পাত্রী দেখতে আসেন। এ সময় পাত্রী দেখা শেষে একই দিন সন্ধ্যার দিকে বাড়ি ফেরার পথে
অমৃতনগর বটতলা নামক স্থানে এলে ভুক্তভোগী দিক হারিয়ে ফেলেন। এ সময় ওই স্থানে বসে থাকা কয়েকজন যুবককে ভুক্তভোগী ওই নারী মেম্বার বলেন, ‘আমি আলফাডাঙ্গার বুড়াইচ যাব, আমাকে একটু পথ দেখিয়ে দেন।’ এ সময় পথ দেখানোর
সুযোগে তারা ভুক্তভোগী নারী মেম্বারকে পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ফেলে রেখে যায়। পরে অসুস্থ অবস্থায় ভুক্তভোগী নারী মেম্বার কোনো রকমে ঘটনাস্থল থেকে রাস্তায় এলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে।

এদিকে রোববার সকালে বোয়ালমারী থানায় গিয়ে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন ভুক্তভোগী। এরপর একই দিন দুপুরের দিকে প্রধান অভিযুক্ত মাহাবুব আলমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ বিষয়ে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আবদুল ওহাব বলেন, ভুক্তভোগী নারী মেম্বার বিষয়টি জানানোর সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূলহোতা মাহাবুব আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্যদেরও গ্রেপ্তারের
অভিযান চালানো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দুপুরে ভুক্তভোগী নারী মেম্বারকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় ওই ভুক্তভোগী মামলা দায়ের করেছেন।