শহীদ মিনারে নেওয়া হবে আতাউর রহমানের মরদেহ, বনানীতে দাফন

আপডেট: May 12, 2026 |
inbound5798892691337978050
print news

স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত দেশবরেণ্য অভিনেতা, নাট্যকার ও নির্দেশক আতাউর রহমানের মরদেহ মঙ্গলবার (১২ মে) শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হবে।

মগবাজারে জানাজা শেষে বিকাল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত তার মরদেহ শহীদ বেদিতে রাখা হবে। পরে বনানী কবরস্থানে এই গুণী নাট্যব্যক্তিত্বের দাফন সম্পন্ন হবে।

গতকাল সোমবার (১১ মে) মধ্যরাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

অভিনয়শিল্পী সংঘ জানিয়েছে, জোহরের নামাজ শেষে মগবাজারের ইস্পাহানী সেঞ্চুরি আর্কেডে নিজ বাসভবনের সামনে খোলা মাঠে আতাউর রহমানের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের শহীদ বেদিতে নেওয়া হবে। সবশেষে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বাসায় পড়ে যাওয়ার পর আতাউর রহমানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। প্রথমে তাকে গুলশানের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলেও সেখানে তাৎক্ষণিক আইসিইউ সুবিধা না পাওয়ায় পরে ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ভর্তির পর তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। ওইদিন শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়। তবে আবার অবস্থার অবনতি হলে গত রোববার তাকে পুনরায় লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে জন্মগ্রহণ করা আতাউর রহমান বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক উজ্জ্বল নাম। তিনি ছিলেন একাধারে নাট্যজন, অভিনেতা, মঞ্চ-নির্দেশক ও লেখক। স্বাধীনতাযুদ্ধ-পরবর্তী মঞ্চনাট্য আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। সংস্কৃতি ও নাট্যাঙ্গনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।

নাট্যচর্চার পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেছেন আতাউর রহমান। তার প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে ‘প্রজাপতি নিবন্ধ’, ‘মঞ্চসারথির কাব্যকথা’, ‘নাটক করতে হলে’, ‘নাট্যপ্রবন্ধ বিচিত্রা’ ও ‘লেখনী’। এছাড়া তিনি বেশ কিছু টেলিভিশন নাটক ও চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর