আবাসিক হোটেলে ঝুলছিল পুলিশ সদস্যের মরদেহ

আপডেট: August 15, 2026 |
fd 136
print news

কক্সবাজারের বাস টার্মিনাল এলাকার একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে এক পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে দি গ্রান্ড ঢাকা হোটেল নামে আবাসিক হোটেলের একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আতাউল কবির পিরোজপুর জেলার রাজবাড়ির নেছরাবাদ এলাকার আব্দুল খালেক তালুকদারের ছেলে। তিনি টেকনাফের হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন।

হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায়, আতাউল কবির বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় হোটেলের ওই কক্ষে ওঠেন। শুক্রবার সকাল ১১টায় তার কক্ষ ছাড়ার (চেক আউট) কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ে হোটেল কর্মীরা তাকে ডাকলে ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পর সন্দেহ হলে হোটেল ব্যবস্থাপক পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের সঙ্গে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তিনি একজন পুলিশ সদস্য।

হোয়াইক্যং হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আবছার বলেন, পুলিশ সদস্য আতাউল কবির হোয়াইক্যং হাইওয়ে থানায় একবছর কর্মরত। দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক সমস্যায় ছিলেন তিনি। ৪ মাস আগে বিষয়টি জেনেছি। কয়েকদিন আগে ছুটিতে যান তিনি, হয়তো বাসা থেকে আসতেই এধরনের প্লান করে এসেছেন। পারিবারিক বিষয়টি জানার পর, আমিও ওনাকে অনেক বুঝানোর চেষ্টা করেছিলাম।

এদিকে আতাউল কবিরের মৃত্যুর ধরন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। উদ্ধার হওয়া মরদেহের ছবিতে দেখা যায়, গলায় ফাঁস লাগানো থাকলেও তার পা খাটের ওপর দাঁড়ানো অবস্থায় রয়েছে। এ নিয়ে সাধারণ মানুষ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়েছে যে, পায়ের তলায় অবলম্বন থাকলে ফাঁস লেগে মৃত্যু হওয়া কতটা সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, আতাউল কবিরের পরিবারের কাছে খবর দেওয়া হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে বলে জানিয়েছে। এটা হত্যা না আত্মহত্যা তা নিশ্চিত হবার চেষ্টা করছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে তা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর