উত্তেজনার মধ্যে রাশিয়ার সীমান্তে সেনা মোতায়েন ন্যাটোর

আরো বাড়ল রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তের উত্তেজনা। উত্তেজনার মধ্যেই পূর্ব ইউরোপে সেনা মোতায়েন করছে ন্যাটো। সেনা পাঠিয়েছে আমেরিকাও।

রাশিয়ার সীমান্তের কাছে ইউক্রেনের প্রান্তে সাড়ে আট হাজার মার্কিন সেনা পাঠিয়েছে আমেরিকা। সেনাকে স্ট্যান্ডবাই থাকতে বলা হয়েছে।

আমেরিকা জানিয়েছে, যেভাবে ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়া এক লাখ সেনা মোতায়েন করেছে এবং প্রতিদিন উত্তেজনা বাড়াচ্ছে তা মাথায় রেখেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। পাশাপাশি ন্যাটোও পূর্ব ইউরোপে সেনা মোতায়েন করছে।

সোমবার ন্যাটো জানিয়েছে, পূর্ব ইউরোপে অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান এবং যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হচ্ছে। ইউক্রেনের সীমান্তের দিকে যা কড়া নজর রাখবে।

আমেরিকা এবং ন্যাটোর এই পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই ভালো চোখে দেখছে না রাশিয়া।

সোমবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এক বিবৃতিতে বলেছেন, ট্রান্স অ্যাটলান্টিক মিলিটারি লাল দাগ পার করলে রাশিয়া কড়া ভাষায় তার জবাব দেবে। অর্থাৎ, ফের একবার যুদ্ধের হুমকি দিয়েছেন পুতিন।

রাশিয়ার অবশ্য দাবি, সীমান্তে নিরাপত্তার খাতিরেই তারা সেনা মোতায়েন করেছে। যুদ্ধের কোনো ইচ্ছা তাদের নেই। কিন্তু ন্যাটো এবং আমেরিকা আগ্রাসন দেখালে তারাও ছেড়ে কথা বলবে না।

সোমবার ব্রাসেলসে ন্যাটোর ২৭টি দেশ বৈঠকে বসেছিল। রাশিয়া যুদ্ধ ঘোষণা করলে কীভাবে ইউক্রেনকে সহায়তা করা হবে সেই স্ট্র্যাটেজি নিয়ে বৈঠক হয়েছে। সাইবার যুদ্ধেও ইউক্রেনকে অন্য দেশগুলি সাহায্য করবে বলে সেখানে জানানো হয়েছে।

এ দিনের বৈঠকে ন্যাটোর প্রধান জেনস স্টলটেনবার্গের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, জার্মান চ্যান্সেলর ওলফ শোলৎসের। সকলেই রাশিয়াকে দ্রুত সেনা সরানোর কথা বলেছেন। রাশিয়া যুদ্ধ ঘোষণা করলে তার ফল ভালো হবে না বলে এদিন ফের কার্যত হুমকি দিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলি।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, সোমবার রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তে উত্তেজনা অনেকটাই বেড়েছে। যুদ্ধের আবহাওয়া ঘণিভূত হয়েছে।

সূত্র: ডয়চে ভেলে।

বৈশাখী নিউজ/ এপি