জামালগঞ্জ উপজেলা আ’লীগ সভাপতি ও সেক্রেটারী কে তৃণমূলের  বয়কট

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচননে জামালগঞ্জ উপজেলার সকল ইউনিয়ন ও ওযার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের পাশ কাটিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা কমিটি গঠন করায় উপজেলা আ’লীগ সভাপতি হাজী মোহাম্মদ আলী ও সাধারন সম্পাদক এম নবী হোসেন কে তৃণমূল নেতাকর্মীরা বয়কট করেছেন। গতকাল জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনা বাজার উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত তৃণমূল কর্মী সমাবেশে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

কর্মী সমাবেশ সভাপতিত্ব করেণ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার আ’লীগ নেতা মো: আব্দুর রাজ্জাক। উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক জামিল আহম্মেদ জুয়েলের সঞ্চালনায প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও সাচনা বাজার ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রেজাউল করিম শামীম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা যুবলীগে সাবেক আহকায়ক ও জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. আব্দুল করিম, জামালগঞ্জ উপজেলা সাবেক আহবায়ক ও জেলা যুবলীগের সদস্য সবুজ কান্তি দাস, সাবেক ছাত্রনেতা ও ডা. এসপি রায় ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শক্তিপদ রায়, উপজেলা আলীগের সাংগঠনিক মোবারক হোসেন তালুকদার, দপ্তর সম্পাদক সম্ভু আচ্যার্য, কর্ম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল রাকিব, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সাদেক আলী, উপজেলা আ’লীগ সদস্য রহিছ উদ্দিন চৌধুরী। অণ্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন. আওয়ামীলীগ নেতা তোতা মিয়া, আব্দুল হক, বেহেলী ইউপি আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্মাল্য কান্তি রায় সসীম, সাধারন সম্পাদক সারোয়ার হোসেন, ভীমখালী ইউপি সভাপতি আক্তার উদ্দিন শাহ, ফেনারবাক ইউপি সহ সভাপতি মো. নুর মিয়া, সাচনা বাজার ইউপি সভাপতি জয়নাল আবেদীন, জামালগঞ্জ সদর ইউপি সাধারন সম্পাদক আব্দুল খালেক, উপজেলা যুবলীগ নেতা মো. জসিম উদ্দিন তালুকদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আনফর আলী টুকু, উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক আরিফ আলম লিমন সহ উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সকল ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বৃন্দ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন, আওয়ামীলীগকে ক্ষমতায় দেখতে চাইলে বঙ্গবন্ধুর নৌকাকে বিজয় করতে হবে। কোন ব্যাক্তিকে নয়, বঙ্গবন্ধুর নৌকাকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হলে আওয়ামীলীগকে বিজয় করতে হবে। তবে সুনামগঞ্জ-১ আসনে বঙ্গ কন্যা জননেত্রী প্রধারমন্ত্রী যাকে নৌকা দিয়েছেন তিনি উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে সদ্য আ’লীগে যোগদান কারী কিছু হাইব্রীডদের নিয়ে যে ভাবে কাজ করছে এতে দুর্দীনের আ’লীগের পরিক্ষিত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে। জামাত-বিএনপি, রাজাকার ও সদ্য যোগদানকারী হাইব্রীডদের নিয়ে প্রচারণা নয়। তাদের নিয়ে নিয়ে ভোটের মাঠে ঘুরলেই ভোটাররা ভোট দেবে কি না তা সন্ধেহ রয়েছে। আমরা বঙ্গ ব্ধুর নৌকার জন্য নিজের খেয়ে সারা জীবন কাজ করে যাবো। জামাত-বিএনপি ও রাজাকারদের সঙ্গে নিয়ে প্রচারণায় যাবো না। আমরা তৃণমূল নেতৃবৃন্দ স্ব স্ব উদ্যোগে নৌকার জন্য কাজ করবো।