ঢাবিকে ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি নতুন ভিসির

আপডেট: November 4, 2023 |
inbound3334420935248956634
print news

বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্ব শিক্ষা মানচিত্রে এক ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা খাতে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৪ নভেম্বর) উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে শুভেচ্ছা বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ে বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ অখাতারুজ্জামান, প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ এবং ট্রেজারার অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদের উপস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

উপাচার্য হিসেবে প্রথম ভাষণে মাকসুদ কামাল বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চান এই বিশ্ববিদ্যালয় যেন বিশ্বশিক্ষা মানচিত্রে একটি ভিন্ন উচ্চতায় যায়।

সেজন্য যত ধরনের সহযোগিতা করা দরকার তা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তার দৃষ্টি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি।

এই বিশ্ববিদ্যালয় যেন মানসম্মত জায়গায় উপনীত হয় সেজন্য তিনি আমাকে আমাদের সবাইকে নিয়ে দলবদ্ধভাবে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন।

ব্যক্তিগতভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রশাসনিক এবং একাডেমিক দায়িত্বে আমি ছিলাম। সেই সুবাদে আমার যে অতীত অভিজ্ঞতা হয়েছে, সে অভিজ্ঞাতাকে কাজে লাগিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে পরামর্শ দিয়েছেন, সেই পরামর্শ মোতাবেক আমি আপনাদের সাথে দলবদ্ধভাবে কাজ করব।

ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, আমরা সৃজনশীল কাজ করার চেষ্টা করব। এখন বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান মূল্যায়ন করা হয় গবেষণার পরিবেশ এবং মানসম্মত গবেষণার ওপরে।

অনেক গবেষণার কাজ হয়। কিন্তু তা মানসম্মত হয় না। সুতরাং গবেষণা সংখ্যায় নয়, গবেষণার মান কেমন এবং একটি জাতি গঠনে সমাজে এর প্রভাব কেমন–সেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়া পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর মতো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যে স্কলারশিপ দেওয়া হয় সেই কাজগুলোতেও মনোযোগ দেওয়া হবে।

2Q==

নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য বলেন, অনেকগুলো কাজ আমাদের হাতে আছে। সামগ্রিক সহযোগিতার মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে যাব।

তাতে করে আমাদের ব্যক্তিগত মর্যাদা যেমন বাড়বে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা বাড়বে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ দেশকে বিশ্বের দরবারে উন্নীত করার যে স্বপ্ন তা পূরণ করতে পারব।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ এবং ট্রেজারারসহ আমরা সবাই মিলে উপাচার্য আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে পরিবর্তনের সূচনা করেছি।

এখন কাজ হলে যে কাজগুলো আমরা করেছি, সে কাজগুলোকে প্রতিষ্ঠানিকতা দেওয়া। আমি বিশ্বাস করি, আপনাদের সহযোগিতায় ইনশাআল্লাহ আমরা এটাকে প্রতিষ্ঠানিকতা দিতে পারব।

উপাচার্য বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। এই অঞ্চলের মানুষ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে তাকিয়ে থাকে।

দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতি থেকে শুরু করে জ্ঞানের প্রকাশ এবং  রাষ্ট্রের উন্নতির জন্য সে জ্ঞান ব্যবহার করা সবকিছুতেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান।

একশ বছরের বেশি সময় ধরে এই বিশ্ববিদ্যালয় একটি জাতি গঠনে ভূমিকা পালন করে আসছে।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর