২৬ রানেই ২ উইকেট নেই বাংলাদেশের

দ্বিতীয় ইনিংসে সিলেটে রান করাটা যে কঠিন হবে তার আভাস মিলেছিল আগেই। এবার সেটা প্রমাণ করলেন কিউই বোলাররা।
দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নেমে ধীরগতির শুরু করলেও বেশিক্ষণ টিকলো বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি। ২৬ রান তুলতেই টপ অর্ডারের দুই ব্যাটারকে হারিয়েছে স্বাগতিকরা।
১৬ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেট হারিয়ে ৩৩ রান। সবমিলিয়ে স্বাগতিকদের লিড এখন ২৫ রানের। হাতে আছে ৮ উইকেট।
তৃতীয় দিনে এসেও সিলেটের উইকেটে খুব বেশি ভাঙন ধরেনি। তবে প্রথম দুই দিনের তুলনায় আজ সকাল থেকে কিছুটা হলেও বাড়তি টার্ন পাচ্ছেন স্পিনাররা।
সেই টার্নেই পরাস্ত হলেন জাকির হাসান। ১৩তম ওভারে অ্যাজাজ প্যাটেলের করা অফ স্টাম্পের বাইরের বল টার্ন করে পায়ে আঘাত হানে।
আম্পায়ার আউট দিতে খুব বেশি সময় নেয়নি। ৩০ বলে ১৭ রান করে ফিরেছেন এই ওপেনার।
প্রথম ইনিংসে অল্পের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেছিলেন মাহমুদুল হাসান জয়। দ্বিতীয় ইনিংসেও দুর্দান্ত শুরু করেছিলেন এই ইনফর্ম ওপেনার।
তবে আরো একবার ভাগ্যের কাছে হার মানতে হলো তার। ১৪তম ওভারের শেষ বলে টিম সাউদিকে স্টেট ড্রাইভ করেছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
সেই বল বোলারের হাত ছুঁয়ে উইকেটে গিয়ে লাগে, জয় তখন ছিলেন পিচের বাইরে। ফলে ৪৬ বলে ৮ রান করে রান আউট কাটা পড়েছেন জয়।
এর আগে ২৬৬ রানে ৮ উইকেট নিয়ে ৩য় দিন শুরু করেছিল কিউইরা। উইলিয়ামসনকে বারবার জীবন দিলেও শেষ পর্যন্ত লিডের স্বপ্ন দেখছিল স্বাগতিকরা।
৩য় দিন সকালে দ্রুত কিউইদের ফিরিয়ে দেওয়াটাই লক্ষ্য ছিল টাইগার বোলারদের। স্বল্প লিডও সিলেটের এই পিচে হতে পারতো সাইকোলজিক্যাল অ্যাডভান্টেজ।
কিন্তু ৩য় দিন দেখেশুনে ব্যাট চালিয়েছেন দুই টেলএন্ডার ব্যাটার কাইল জেমিসন এবং টিম সাউদি। নিউজিল্যান্ডকে এনে দিয়েছেন লিড।
২৬৪ রানে ৮ম উইকেট পতনের পর নবম উইকেটে এই দুজন গড়েছেন ৫২ রানের জুটি। তাতেই কপালে চিন্তার ভাঁজ বাড়ছিল বাংলাদেশের।
তৃতীয় দিন সকাল থেকেই নিরীহ-নির্বিষ বোলিং করেছে বাংলাদেশ। একে একে আক্রমণে আনা হয়েছে তিন স্পিনার আর এক পেসারের সবাইকে।
তবে উইকেট তো দূরে থাক ন্যূনতম চাপটাও সৃষ্টি করা হয়নি টাইগার বোলারদের। বরং ধৈর্য নিয়ে ব্যাটিং করে বাংলাদেশের হতাশাই বাড়িয়েছেন জেমিসন-সাউদি।
শেষ পর্যন্ত পার্ট-টাইমার মুমিনুলে রক্ষা পায় বাংলাদেশ।
প্রথমে হালকা সুইয়ে বিভ্রান্ত করেছেন কাইল জেমিসনকে।
তার হালকা সুইংয়ে ব্যাটে-বলে করতে পারেননি এই পেসার। আউট হয়েছেন এলবিডব্লিউতে।
চার বল পর প্রায় একই ডিলিভারিতে স্ট্যাম্প খুইয়েছেন সাউদি। ৭ রানের লিড নিয়েই থামে কিউইরা।



















