পরকীয়া-মাতলামি, মাদক সেবনের অভিযোগ নোবেলের বিরুদ্ধে,ঘটনাস্থলে পুলিশ

গায়ক মইনুল আহসান নোবেল আর বিতর্ক যেন একে অপরের ছায়াসঙ্গী। এক বান্ধবীকে নিয়ে বান্দারবনে বেড়াতে গিয়ে আশালীন আচরণ, মাদকদ্রব্য সেবন সহ একাধিক অভিযোগ উঠল গায়ক নোবেলের বিরুদ্ধে।
বুধবার নিজেই ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন মইনুল আহসান নোবেল। সেখানে তাকে বান্দারবনের পাহাড়ি অঞ্চলে এক মহিলার সঙ্গে বসে থাকতে দেখা যায়। ছবি পোস্ট করে নোবেল লেখেন, ‘গাঁজার নৌকা পাহাড়তলী যায় ও মিরাবই।’ যদিও পড়ে সেই ফেসবুক পোস্টটি মুছে দেওয়া হয়।
জানা গেছে, ২৫ অগস্ট (বুধবার) রাতে বান্দরবানে বেড়াতে যান নোবেল, যে মেয়েটিকে নিয়ে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন তাকে সেখানে স্ত্রী বলে পরিচয় দেন। গেছে। পরদিন (২৬ অগস্ট) নোবেল মেয়েটিকে নিয়ে বান্দারবানের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়ান। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নোবেলকে প্রকাশ্যে মাদক সেবন করতে দেখা যায়। এলাকাবাসীর সঙ্গে তিনি খারাপ আচারণ করেন বলেও অভিযোগ।
তাতে গায়কের উপর বেজায় বিরক্ত হন স্থানীয়রা। এখানেই শেষ নয়, গার্ডেন সিটি এলাকার যে হোটেলে তিনি ছিলেন সন্ধ্যায় ফের সেখানে ফেরেন। হোটেল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, মাঝরাতে হোটেলের লনে এসে মত্ত অবস্থায় চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন তিনি।
তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেও কোনও লাভ হয়নি, উল্টে হোটেলে আরও এক পর্যটককে অপমান করতেও ছাড়েননি গায়ক। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাত ৩টা নাগাদ হোটেলের মালিক পুলিশে খবর দেন।
এদিকে গোটা ঘটনায় বিরক্ত নোবেলের স্ত্রী মেহরুবা সালসাবিল মাহমুদ। তিনি বিষয়টি নিয়ে সরব হন। মেহরুবা সালসাবিল মাহমুদের দাবি, নোবেল যার সঙ্গে বান্দরবানে গিয়েছিলেন তিনি একজন বিমান সেবিকা। আর তিনিই নাকি নোবেলকে মাদক সরবরাহ করেন।
এদিকে ঘটনার বিষয়ে বান্দরবান সদর থানার পুলিশ কর্মকর্তা মহম্মদ শহিদুল ইসলাম চৌধুরী বাংলাদেশের সংবাদ-মাধ্যমকে জানান, ”নোবেলের বিষয়ে আমরা হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। এরপর বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। বেআইনি কিছু করলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”











