আজ প্রথম জাতীয় অসংক্রামক রোগ সম্মেলন শুরু

দেশে প্রথম বারের মতো তিন দিনব্যাপী জাতীয় অসংক্রামক রোগ সম্মেলন শুরু হচ্ছে। আজ বুধবার থেকে এই সম্মেলন চলবে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে অসংক্রামক ব্যাধি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দিন দিন কমে যাচ্ছে।

এই অসংক্রামক ব্যাধি নির্ণয় এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম (এনসিডিসি), বাংলাদেশ নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ ফোরম (বিএনসিডিএফ), বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল রির্সাচ প্লাটফর্ম এবং বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরম, আইসিডিডিআরাবি, ব্র্যাক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পপুলার মেডিকেল কলেজসহ ৩০টি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে এই সম্মেলন হচ্ছে।

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে হতে যাওয়া সম্মেলনের প্রথম দিন সকালের সেশনে থাকবেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ডা. বর্ধন জং রানা।

বিকেলের সেশনে থাকবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ডা. আধানম গেব্রিয়েসাস ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম।

সম্মেলনের বিভিন্ন সেশনে আরো উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ, পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞজন। সোমবার এই সম্মেলন উপলক্ষ্যে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

সম্মেলন সম্পর্কে অর্গানিইজিং কমিটির মেম্বর সেক্রেটারি ডা. শামীম হায়দার তালুকদার বলেন, সম্মেলনের উদ্দেশ্য হলো নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রামে যারা অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং অসংক্রামক রোগের চিকিৎসা যেন সবাই পায় তার ব্যবস্থা করা।

অর্গানিইজিং কমিটির সায়েন্টিফিক সেক্রেটারি ডা. আলিয়া নাহিদ বলেন, এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য হলো অসংক্রামক রোগের ভয়াবহতা সম্পর্কে সব স্টেকহোল্ডারকে জানানো এবং সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে অসংক্রামক ব্যাধি নিরূপণে একসাথে কাজ করা। সম্মেলনের তৃতীয় দিনে চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ছয় জন বিশিষ্ট চিকিৎসককে মরণোত্তর সম্মাননা স্মারক এবং ছয়জন চিকিৎসককে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হবে।

বৈশাখী নিউজ/ এপি