নির্ধারিত হলো দেশভিত্তিক হজযাত্রীর কোটা

চলতি বছর কোন দেশ থেকে কতজন হজযাত্রী যেতে পারবেন, সেই কোটা নির্ধারণ করেছে সৌদির হজ ও ওমরাহবিষয়ক মন্ত্রণালয়। শনিবার (২৩ এপ্রিল) একাধিক সূত্রের বরাতে সৌদি গেজেট এ খবর জানিয়েছে।

বরাবরের মতোই চলতি বছরও ইন্দোনেশিয়া থেকেই সবচেয়ে বেশি মানুষ হজ করার সুযোগ পাবেন। ইন্দোনেশিয়া থেকে ১ লাখ ৫১ জনকে এবার হজে যাবার সুযোগ দেওয়া হবে।

ইন্দোনেশিয়ার পরই পাকিস্তান থেকে হজ করার সুযোগ পাবেন ৮১ হাজার ১৩২ জন হজযাত্রী আর তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতের ৭৯ হাজার ২৩৭ জনকে এবার হজ করার সুযোগ পাবেন।

চতুর্থ অবস্থানেই আছে বাংলাদেশ। দেশ থেকে এবার হজের সুযোগ পাবেন ৫৭ হাজার ৫৮৫ জন হজযাত্রী।

আরব দেশগুলোর মধ্যে মিশর থেকে ৩৫ হাজার ৩৭৫ জন আর আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে নাইজেরিয়া থেকে ৪৩ হাজার ৮ জন এবার হজ করতে পারবেন।

এছাড়াও ইরানের ৩৮ হাজার ৪৮১ ও তুরস্কের ৩৭ হাজার ৭৭০ জন হজের সুযোগ পাবেন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৯ হাজার ৫০৪, রাশিয়া থেকে ১১ হাজার ৩১৮, চীন থেকে ৯ হাজার ১৯০ ও ইউক্রেন থেকে এবার ৯১ জনকে হজের সুযোগ দেবে সৌদি।

এবার সবচেয়ে কম মানুষ হজ করার সুযোগ পাবেন আফ্রিকার দেশ অ্যাঙ্গোলা থেকে। দেশটি থেকে মাত্র ২৩ জনকে হজের অনুমতি দিয়েছে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়।

ইতিপূর্বে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ বছর ১০ লাখ মানুষ হজের সুযোগ পাচ্ছেন বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৮৫ শতাংশ অর্থাৎ ৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষ বিভিন্ন দেশ থেকে হজে অংশ নেওয়ার অনুমতি পাবেন আর সৌদি আরব থেকে হজের সুযোগ দেওয়া হবে দেড় লাখ মানুষকে।

এবছর হজের জন্য দুইটি শর্ত রয়েছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের: হজযাত্রীদের বয়স ৬৫ বছরের কম এবং তাদের করোনার পূর্ণ ডোজ টিকা নেওয়া থাকতে হবে।

এছাড়াও হজযাত্রার পূর্বের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পিসিআর টেস্টের নেগেটিভ সনদ লাগবে। আর প্রত্যেক হজযাত্রীকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে স্বাস্থ্যবিধি।

সৌদি সরকারের তথ্য অনুযায়ী, করোনা মহামারির কারণে গত বছর মাত্র ৫৮ হাজার ৭৪৫ জন হজ পালন করতে পারেন। মহামারির আগের বছরগুলোতে প্রতিবছর হজ করতে সৌদি আরবে যাওয়া মানুষের সংখ্যা ২০ লাখ ছাড়িয়ে যেত।

বৈশাখী নিউজ/ বিসি