পণ্যের মান ও গ্রহণযোগ্যতাই ভোক্তাদের মনে আস্থা তৈরী করে : শিল্পমন্ত্রী

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, ‘পণ্যের মান ও গ্রহণযোগ্যতাই ভোক্তাদের মনে আস্থা তৈরী করে। এর মাধ্যমে বিকশিত হয় বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ। বিনিয়োগ-বাণিজ্য বাড়াতে পণ্য ও সেবার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভে অ্যাক্রেডিটেশনের বিকল্প নেই।’

রোববার (১২ জুন) রাজধানীতে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) অডিটরিয়ামে ‘অ্যাক্রেডিটেশন টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সহায়তা করে’ শীর্ষক সেমিনার প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা এবং ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান। সভাপতিত্ব করেন বিএবির মহাপরিচালক মো. মনোয়ারুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ দেওয়া হয়।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘দেশীয় ল্যাবরেটরিগুলোতে আধুনিক যন্ত্রপাতির সংযোজনের মাধ্যমে পণ্যের সনদের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় পণ্য ও সেবা রপ্তানি সম্প্রসারণে আন্তর্জাতিক সনদ সংস্থাগুলোর সাথে দেশীয় সংস্থার সমন্বয় খুবই জরুরি। এ লক্ষ্যে সরকার একটি কার্যকরী অ্যাক্রেডিটেশন অবকাঠামো ইকো-সিস্টেম নির্মাণে বদ্ধপরিকর। সরকার একটি মান নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে।’

শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, ‘এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অ্যঅক্রেডিটেশনের ভূমিকা অপরিসীম। সনদ প্রদানকারী সংস্থাগুলোর মান ও অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক। তিনি বলেন, ‘নিরপাদ পণ্য, সেবা এবং মান নিশ্চিতকরণের বিষয়গুলো আমাদের সকলের জন্য অতীব জরুরি। ২০০৬ সালে স্থাপিত বিএবি কার্যকরী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিতের মাধ্যমে এটিকে আরও কার্যকর করতে হবে, যার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে এর গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে।’

স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের (বিএবি) মহাপরিচালক মো. মনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘নিরাপদ পণ্য ও সেবার জন্য সাপ্লাই চেইনের প্রতিটি পর্যায়ে মান নিশ্চিতকরণ আবশ্যক। সেই সাথে নিরাপদ পণ্য এবং সেবা উৎপাদনের জন্য কার্যকর জাতীয় মান অবকাঠামো একান্ত অপরিহার্য।’

বৈশাখী নিউজ/ ফাজা