কৃষকের চোখের সামনে তলিয়ে যাচ্ছে আধাপাকা বোরো ধান

দুই উপজেলায় বাঁধ ভেঙ্গে পানি ঢুকছে হাওরে। কৃষকের চোখের সামনে তলিয়ে যাচ্ছে আধাপাকা বোরো ধান। ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে ৫শ’ হেক্টর জমির বোরো। রাতদিন কৃষকরা বাঁধ রক্ষার চেষ্টা করছে। এদিকে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কিশোরগঞ্জ ও হবিগঞ্জে নদ নদীর পানি বেড়েছে। এছাড়া নেত্রকোণায়ও হুমকির মুখে ফসল রক্ষা বাঁধ।

গত দুই দিনে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের চাপে সুনামগঞ্জের সুরমা, যাদুকাটা, পাটলাই নদীসহ বিভিন্ন নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। পানির চাপে হাওরের ফসল আবারো ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। এরই মধ্যে নতুন করে দুটি বাঁধ ভেঙ্গে হাওরে পানি ঢুকছে। ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে ৫শ’ হেক্টর বোরো ধান।

রোববার(১৭ এপ্রিল) বিকেলে তাহিরপুরে টাংগুয়ার হাওরের বর্ধিত গুরমার হাওরের বাঁধ ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করে। রাতে ভাঙ্গে দিরাই উপজেলার হুরামন্দিরা ফসল রক্ষা বাঁধ। অনেক হাওরের বোরো ধান এখনো পাকতে শুরু করেনি। ঢলের পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে সেই আধাপাকা ধান। উপায় না পেয়ে আধাপাকা ধান কাটতে শুরু করেছেন কৃষকরা।

এদিকে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কিশোরগঞ্জ ও হবিগঞ্জের নদ নদীর পানি বাড়ছে। এতে ঝুঁকিতে পড়েছে জেলার চরহাইসদা, গোমাইল ও কীর্তনখোলা বাঁধসহ বেশ কয়েকটি ফসল রক্ষা বাঁধ। বাঁধ রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের পাশপাশি কাজ করছে হাওর এলাকার কৃষক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

এছাড়া, নেত্রকোণার ধনু, সোমেশ্বরীসহ বেশকিছু নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে জেলার হাওরাঞ্চলের প্রধান নদী ধনুর খালিয়াজুরী পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। হুমকির মুখে রয়েছে ফসল রক্ষা বাঁধ।

বৈশাখী নিউজ/ এপি