ঠাকুরগাঁওয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মামা-ভাগ্নেসহ আটক ৩

দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর ঘরে ঢুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মামা-ভাগ্নেসহ ৩ জনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টার সময় ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দোগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার সকালে মেয়ের বাবা বাদী হয়ে আটককৃত ৩ জনসহ আরও ৬/৭জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় মামলা করেন।
গ্রেফকারকৃতরা হলেন পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলার আজিজুর রহমানের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক ও তার ভাই পানারুল ইসলাম এবং দুই ভায়ের মামা ঠাকুরগাঁও জেলার রুহিয়া থানার মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে ফজলুর রহমান ওরফে মন্টু। আব্দুর রাজ্জাক বিবাহিত এবং তার একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
মেয়ের বাবা ও মামলা সুত্রে জানা গেছে, গভীর রাত্রে স্কুলছাত্রীর ঘরে গোপনে প্রবেশ করে আব্দুর রাজ্জাক ধর্ষণ চেষ্টার সময় স্কুলছাত্রী চিৎকার করে। স্কুলছাত্রীর পরিবারের লোকজন এবং স্থানীয়রা তাকে আটক করলে আব্দুর রাজ্জাকের ভাই পানারুল ও মামা মন্টুসহ আরও ৬/৭ জন লোক তাকে ছিনিয়ে নিতে আসে। এ সময় স্থানীয় লোকজন রাজ্জাকের ভাই ও মামাকে আটক করলেও বাকীরা ১টি মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালে ওই স্কুলছাত্রী নিজের ঘরে ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টার সময় বাড়ীর লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানকার ডাক্তার তাকে উন্নত রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায়। বর্তমানে মেয়েটি রংপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি মোসাব্বেরুল হক বলেন, স্থানীয় লোকজন খবর দিলে পুলিশ শুক্রবার একটি মোটরসাইকেল, দেশীয় অস্ত্র এবং ৩ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। মেয়ের বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের আগামীকাল শনিবার জেল হাজতে পাঠানো হবে।